গোপালগঞ্জ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীর ১৭১ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
সোমবার সন্ধ্যায় যশোর সেনানিবাস থেকে একটি বিশেষ দল গোপালগঞ্জে এসে দায়িত্ব গ্রহণ করে। দলটির নেতৃত্ব দেন মেজর এ কে এম মাসুদ রানা। এতে দুইজন কর্মকর্তা এবং ১৬৯ জন অন্যান্য পদমর্যাদার সেনাসদস্য (ওআর) অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
বিকেল ৪টার দিকে সেনাদলটি যশোর সেনানিবাস থেকে গোপালগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হয় এবং পরে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রাঙ্গণে অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করে কার্যক্রম শুরু করে।
সেনাসদস্যরা পৌঁছানোর পর থেকেই জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, জনসমাগমপূর্ণ এলাকা ও স্থাপনাগুলোতে নিরাপত্তা তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়। একই সঙ্গে পুলিশ প্রশাসনও টহল ও নজরদারি জোরদার করেছে।
প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সম্ভাব্য যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের সমন্বয়ে যৌথভাবে কাজ করা হচ্ছে। জেলার সার্বিক পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
গোপালগঞ্জ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীর ১৭১ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
সোমবার সন্ধ্যায় যশোর সেনানিবাস থেকে একটি বিশেষ দল গোপালগঞ্জে এসে দায়িত্ব গ্রহণ করে। দলটির নেতৃত্ব দেন মেজর এ কে এম মাসুদ রানা। এতে দুইজন কর্মকর্তা এবং ১৬৯ জন অন্যান্য পদমর্যাদার সেনাসদস্য (ওআর) অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
বিকেল ৪টার দিকে সেনাদলটি যশোর সেনানিবাস থেকে গোপালগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হয় এবং পরে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রাঙ্গণে অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করে কার্যক্রম শুরু করে।
সেনাসদস্যরা পৌঁছানোর পর থেকেই জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, জনসমাগমপূর্ণ এলাকা ও স্থাপনাগুলোতে নিরাপত্তা তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়। একই সঙ্গে পুলিশ প্রশাসনও টহল ও নজরদারি জোরদার করেছে।
প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সম্ভাব্য যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের সমন্বয়ে যৌথভাবে কাজ করা হচ্ছে। জেলার সার্বিক পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
