শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

বিশ্ব

৭ অক্টোবর হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ দাবি ইসরায়েলের

গাজায় বড় ধাক্কা: হামাস কমান্ডার ইজ্জ আল-দিন আল-হাদ্দাদ নিহত!

গাজায় বড় ধাক্কা: হামাস কমান্ডার ইজ্জ আল-দিন আল-হাদ্দাদ নিহত!
ছবি: সংগৃহীত

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর (আইডিএফ) এক হামলায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাসের সামরিক শাখার শীর্ষ নেতা ইজ্জ আদ-দিন আল-হাদ্দাদ নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইসরায়েল। শুক্রবারের ওই হামলায় তিনি প্রাণ হারান বলে জানানো হয়।

আইডিএফ চিফ অব স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়ার জামির এই ঘটনাকে “গুরুত্বপূর্ণ অভিযানিক সাফল্য” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি দাবি করেন, ৭ অক্টোবরের হামলার পরিকল্পনায় আল-হাদ্দাদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন এবং হামাসের সামরিক শাখার অন্যতম শীর্ষ নেতা ছিলেন।

অন্যদিকে, রয়টার্সকে দেওয়া এক বিবৃতিতে হামাসের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আল-হাদ্দাদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। তবে সংগঠনটি আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো প্রকাশ্যে কোনো ঘোষণা দেয়নি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, শনিবার মধ্য গাজার আল আকসা শহীদ মসজিদে তার স্ত্রী ও ১৯ বছর বয়সী মেয়ের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে তাদের মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়।

স্থানীয় চিকিৎসকদের বরাতে জানা যায়, শুক্রবার গাজায় অন্তত দুটি পৃথক হামলায় তিন নারী ও এক শিশুসহ মোট সাতজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, হামাস নেতাকে লক্ষ্য করেই বিমান হামলা চালানো হয়। তাদের দাবি, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী ছিলেন আল-হাদ্দাদ।

তারা আরও জানান, ২০২৫ সালের মে মাসে মোহাম্মদ সিনওয়ার নিহত হওয়ার পর তিনি গাজায় হামাসের সামরিক শাখার নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। ইসরায়েলের দাবি অনুযায়ী, তিনি বহু হামলা, অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

হামাস সূত্রে জানা যায়, “ভূত” নামে পরিচিত আল-হাদ্দাদ একাধিক হত্যাচেষ্টা থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক পদে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

#ইসরায়েল_হামলা #গাজা_যুদ্ধ #হামাস

চেকপোস্ট

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


গাজায় বড় ধাক্কা: হামাস কমান্ডার ইজ্জ আল-দিন আল-হাদ্দাদ নিহত!

প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬

featured Image

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর (আইডিএফ) এক হামলায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাসের সামরিক শাখার শীর্ষ নেতা ইজ্জ আদ-দিন আল-হাদ্দাদ নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইসরায়েল। শুক্রবারের ওই হামলায় তিনি প্রাণ হারান বলে জানানো হয়।

আইডিএফ চিফ অব স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়ার জামির এই ঘটনাকে “গুরুত্বপূর্ণ অভিযানিক সাফল্য” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি দাবি করেন, ৭ অক্টোবরের হামলার পরিকল্পনায় আল-হাদ্দাদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন এবং হামাসের সামরিক শাখার অন্যতম শীর্ষ নেতা ছিলেন।

অন্যদিকে, রয়টার্সকে দেওয়া এক বিবৃতিতে হামাসের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আল-হাদ্দাদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। তবে সংগঠনটি আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো প্রকাশ্যে কোনো ঘোষণা দেয়নি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, শনিবার মধ্য গাজার আল আকসা শহীদ মসজিদে তার স্ত্রী ও ১৯ বছর বয়সী মেয়ের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে তাদের মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়।

স্থানীয় চিকিৎসকদের বরাতে জানা যায়, শুক্রবার গাজায় অন্তত দুটি পৃথক হামলায় তিন নারী ও এক শিশুসহ মোট সাতজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, হামাস নেতাকে লক্ষ্য করেই বিমান হামলা চালানো হয়। তাদের দাবি, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী ছিলেন আল-হাদ্দাদ।

তারা আরও জানান, ২০২৫ সালের মে মাসে মোহাম্মদ সিনওয়ার নিহত হওয়ার পর তিনি গাজায় হামাসের সামরিক শাখার নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। ইসরায়েলের দাবি অনুযায়ী, তিনি বহু হামলা, অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

হামাস সূত্রে জানা যায়, “ভূত” নামে পরিচিত আল-হাদ্দাদ একাধিক হত্যাচেষ্টা থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক পদে দায়িত্ব পালন করছিলেন।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত