প্রচণ্ড গরমে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে নানা ধরনের শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তন ঘটে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে রক্তচাপের ওপর। সাধারণত গরমে রক্তনালি প্রসারিত হওয়ায় রক্তচাপ কিছুটা কমে যায়। তবে দীর্ঘ সময় তাপদাহ, আর্দ্রতা ও পানিশূন্যতার কারণে অনেক ক্ষেত্রে রক্তচাপ অস্বাভাবিকভাবে বেড়েও যেতে পারে।
রক্তচাপ হৃদ্স্বাস্থ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূচক। এটি স্বাভাবিক থাকলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে পর্যাপ্ত রক্ত ও অক্সিজেন পৌঁছে যায়। কিন্তু রক্তচাপ বেশি বা কম-দুই অবস্থাই স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে রক্তনালি প্রসারিত হয়। পাশাপাশি অতিরিক্ত ঘামের কারণে শরীর থেকে পানি, সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজ বের হয়ে যায়। ফলে রক্তের পরিমাণ কমে গিয়ে রক্তচাপ নিচে নেমে যেতে পারে।
এর ফলে দেখা দিতে পারে-
বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তি এবং যারা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের ওষুধ গ্রহণ করেন, তাদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি বেশি।
দীর্ঘ সময় তীব্র গরমে থাকলে শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি হয়। তখন হৃদ্যন্ত্রকে স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহ বজায় রাখতে বেশি কাজ করতে হয়। ফলে রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে বা অনিয়মিত হয়ে পড়তে পারে।
এ ছাড়া অতিরিক্ত গরমের কারণে শরীরে অ্যাড্রেনালিন ও কর্টিসল হরমোনের নিঃসরণ বাড়ে, যা হৃৎস্পন্দন ও রক্তচাপ উভয়ই বৃদ্ধি করতে পারে।
এ অবস্থায় দেখা দিতে পারে-
✔ পর্যাপ্ত পানি পান করুন
✔ নারকেল পানি, লেবুর শরবত ও দইয়ের মতো পানীয় গ্রহণ করুন
✔ মানসিক চাপ কমাতে ধ্যান বা শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করুন
✔ অতিরিক্ত চা, কফি ও অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন
✔ দুপুর ১২টা থেকে ৪টার মধ্যে বাইরে যাওয়া কমান
✔ ভোর বা সন্ধ্যায় ব্যায়াম করুন
✔ পানি সমৃদ্ধ ও হালকা খাবার খান
✔ নিয়মিত রক্তচাপ পরিমাপ করুন
যারা ডায়িউরেটিক বা বিটা-ব্লকার ধরনের রক্তচাপের ওষুধ সেবন করেন, তাদের গরমের সময় বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে। প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধের মাত্রা সমন্বয় করতে হতে পারে।
রক্তচাপ হঠাৎ অনেক বেড়ে গেলে বা কমে গেলে, কিংবা মাথা ঘোরা, বুকে ব্যথা বা অস্বাভাবিক শারীরিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
প্রচণ্ড গরমে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে নানা ধরনের শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তন ঘটে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে রক্তচাপের ওপর। সাধারণত গরমে রক্তনালি প্রসারিত হওয়ায় রক্তচাপ কিছুটা কমে যায়। তবে দীর্ঘ সময় তাপদাহ, আর্দ্রতা ও পানিশূন্যতার কারণে অনেক ক্ষেত্রে রক্তচাপ অস্বাভাবিকভাবে বেড়েও যেতে পারে।
রক্তচাপ হৃদ্স্বাস্থ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূচক। এটি স্বাভাবিক থাকলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে পর্যাপ্ত রক্ত ও অক্সিজেন পৌঁছে যায়। কিন্তু রক্তচাপ বেশি বা কম-দুই অবস্থাই স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে রক্তনালি প্রসারিত হয়। পাশাপাশি অতিরিক্ত ঘামের কারণে শরীর থেকে পানি, সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজ বের হয়ে যায়। ফলে রক্তের পরিমাণ কমে গিয়ে রক্তচাপ নিচে নেমে যেতে পারে।
এর ফলে দেখা দিতে পারে-
বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তি এবং যারা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের ওষুধ গ্রহণ করেন, তাদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি বেশি।
দীর্ঘ সময় তীব্র গরমে থাকলে শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি হয়। তখন হৃদ্যন্ত্রকে স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহ বজায় রাখতে বেশি কাজ করতে হয়। ফলে রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে বা অনিয়মিত হয়ে পড়তে পারে।
এ ছাড়া অতিরিক্ত গরমের কারণে শরীরে অ্যাড্রেনালিন ও কর্টিসল হরমোনের নিঃসরণ বাড়ে, যা হৃৎস্পন্দন ও রক্তচাপ উভয়ই বৃদ্ধি করতে পারে।
এ অবস্থায় দেখা দিতে পারে-
✔ পর্যাপ্ত পানি পান করুন
✔ নারকেল পানি, লেবুর শরবত ও দইয়ের মতো পানীয় গ্রহণ করুন
✔ মানসিক চাপ কমাতে ধ্যান বা শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করুন
✔ অতিরিক্ত চা, কফি ও অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন
✔ দুপুর ১২টা থেকে ৪টার মধ্যে বাইরে যাওয়া কমান
✔ ভোর বা সন্ধ্যায় ব্যায়াম করুন
✔ পানি সমৃদ্ধ ও হালকা খাবার খান
✔ নিয়মিত রক্তচাপ পরিমাপ করুন
যারা ডায়িউরেটিক বা বিটা-ব্লকার ধরনের রক্তচাপের ওষুধ সেবন করেন, তাদের গরমের সময় বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে। প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধের মাত্রা সমন্বয় করতে হতে পারে।
রক্তচাপ হঠাৎ অনেক বেড়ে গেলে বা কমে গেলে, কিংবা মাথা ঘোরা, বুকে ব্যথা বা অস্বাভাবিক শারীরিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি।
