বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

মাদক ও অনলাইন জুয়ার ঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কা

গংগাচড়ায় স্কুল মাঠে গাছ লাগিয়ে খেলাধুলা বন্ধে বিপদগামী শিক্ষার্থী

গংগাচড়ায় স্কুল মাঠে গাছ লাগিয়ে খেলাধুলা বন্ধে বিপদগামী শিক্ষার্থী
ছবি: চেকপোস্ট

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের মনিরাম দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়-এর একমাত্র খেলার মাঠে গাছ লাগিয়ে খেলাধুলা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে শিক্ষার্থী ও স্থানীয় যুবসমাজের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়ের মাঠটি পার্শ্ববর্তী সাত-আটটি গ্রামের একমাত্র খেলার জায়গা। সম্প্রতি সেখানে গাছ রোপণ করায় খেলাধুলা বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থী ও সচেতন মহল প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বললেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের দাবি যৌক্তিক উল্লেখ করে মাঠটি খেলাধুলার উপযোগী করতে গাছ সরানোর নির্দেশ দেন।

তবে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্দেশ দেওয়ার পরও এখনো মাঠ থেকে গাছ সরানো হয়নি।

শিক্ষার্থীরা আরও অভিযোগ করে জানায়, বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ইংরেজি ক্লাস বন্ধ, ভোকেশনাল শাখায় ব্যবহারিক ক্লাসের ঘাটতি, টয়লেট সংকট, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনসহ নানা সমস্যা রয়েছে। পাশাপাশি খেলার সুযোগ না থাকায় এলাকায় মাদকাসক্তি ও অনলাইন জুয়ার প্রবণতা বাড়ছে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল বাশার বলেন, ইউএনও স্যার যে নির্দেশ দিয়েছেন, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু সাঈদ মো: আরিফ মাহফুজ জানান, বিষয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, শিক্ষার্থীদের সুস্থ বিকাশে খেলাধুলা অপরিহার্য। তাই দ্রুত মাঠটি খেলাধুলার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার উদ্যোগ নিতে হবে।

#গংগাচড়া #খেলার_মাঠ #শিক্ষার্থী_সংকট

চেকপোস্ট

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬


গংগাচড়ায় স্কুল মাঠে গাছ লাগিয়ে খেলাধুলা বন্ধে বিপদগামী শিক্ষার্থী

প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬

featured Image

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের মনিরাম দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়-এর একমাত্র খেলার মাঠে গাছ লাগিয়ে খেলাধুলা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে শিক্ষার্থী ও স্থানীয় যুবসমাজের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়ের মাঠটি পার্শ্ববর্তী সাত-আটটি গ্রামের একমাত্র খেলার জায়গা। সম্প্রতি সেখানে গাছ রোপণ করায় খেলাধুলা বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থী ও সচেতন মহল প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বললেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের দাবি যৌক্তিক উল্লেখ করে মাঠটি খেলাধুলার উপযোগী করতে গাছ সরানোর নির্দেশ দেন।

তবে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্দেশ দেওয়ার পরও এখনো মাঠ থেকে গাছ সরানো হয়নি।

শিক্ষার্থীরা আরও অভিযোগ করে জানায়, বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ইংরেজি ক্লাস বন্ধ, ভোকেশনাল শাখায় ব্যবহারিক ক্লাসের ঘাটতি, টয়লেট সংকট, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনসহ নানা সমস্যা রয়েছে। পাশাপাশি খেলার সুযোগ না থাকায় এলাকায় মাদকাসক্তি ও অনলাইন জুয়ার প্রবণতা বাড়ছে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল বাশার বলেন, ইউএনও স্যার যে নির্দেশ দিয়েছেন, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু সাঈদ মো: আরিফ মাহফুজ জানান, বিষয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, শিক্ষার্থীদের সুস্থ বিকাশে খেলাধুলা অপরিহার্য। তাই দ্রুত মাঠটি খেলাধুলার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার উদ্যোগ নিতে হবে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত