বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

খরচ বাড়ায় দাম কিছুটা উঁচু হতে পারে

খুলনা বিভাগে এবার পশুর সংকট নেই, দাম নিয়ে মিশ্র আশা

খুলনা বিভাগে এবার পশুর সংকট নেই, দাম নিয়ে মিশ্র আশা
ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। ছবি: চেকপোস্ট

খুলনা বিভাগে আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। এবার চাহিদার তুলনায় প্রায় ৩ লাখ ৬৭ হাজারের বেশি পশু অতিরিক্ত থাকায় কোনো সংকট হবে না বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় এবার কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে প্রায় ১০ লাখ ৭৯ হাজার ৪৪৯টি। বিপরীতে মোট পশু প্রস্তুত করা হয়েছে ১৪ লাখ ৪৬ হাজার ৮০৯টি।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এবার স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পশুর মধ্যে রয়েছে ষাঁড়, বলদ, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও অন্যান্য প্রজাতি।

খুলনা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক ড. মোহাম্মদ গোলাম হায়দার জানান, এবার স্থানীয় উৎপাদন দিয়েই শতভাগ চাহিদা পূরণ সম্ভব হবে। ফলে বাইরে থেকে পশু আমদানি করার প্রয়োজন নেই।

তবে খামারিরা বলছেন, পশুখাদ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎপাদন খরচ বেড়েছে, তাই এবার পশুর দাম তুলনামূলক কিছুটা বেশি হতে পারে।

রূপসা ও ডুমুরিয়া উপজেলার খামারিরা জানান, দেশি ঘাস, ভুট্টা ও স্থানীয় খাদ্য ব্যবহার করে পশু পালন করা হলেও বাজার পরিস্থিতি দাম নির্ধারণে প্রভাব ফেলবে।

অন্যদিকে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা মনে করছেন, পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় এবার হাটে দাম ক্রেতাদের নাগালের মধ্যেই থাকবে।

#খুলনা_সংবাদ #ঈদুলআজহা #কোরবানিরপশু

চেকপোস্ট

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬


খুলনা বিভাগে এবার পশুর সংকট নেই, দাম নিয়ে মিশ্র আশা

প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬

featured Image

খুলনা বিভাগে আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। এবার চাহিদার তুলনায় প্রায় ৩ লাখ ৬৭ হাজারের বেশি পশু অতিরিক্ত থাকায় কোনো সংকট হবে না বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় এবার কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে প্রায় ১০ লাখ ৭৯ হাজার ৪৪৯টি। বিপরীতে মোট পশু প্রস্তুত করা হয়েছে ১৪ লাখ ৪৬ হাজার ৮০৯টি।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এবার স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পশুর মধ্যে রয়েছে ষাঁড়, বলদ, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও অন্যান্য প্রজাতি।

খুলনা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক ড. মোহাম্মদ গোলাম হায়দার জানান, এবার স্থানীয় উৎপাদন দিয়েই শতভাগ চাহিদা পূরণ সম্ভব হবে। ফলে বাইরে থেকে পশু আমদানি করার প্রয়োজন নেই।

তবে খামারিরা বলছেন, পশুখাদ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎপাদন খরচ বেড়েছে, তাই এবার পশুর দাম তুলনামূলক কিছুটা বেশি হতে পারে।

রূপসা ও ডুমুরিয়া উপজেলার খামারিরা জানান, দেশি ঘাস, ভুট্টা ও স্থানীয় খাদ্য ব্যবহার করে পশু পালন করা হলেও বাজার পরিস্থিতি দাম নির্ধারণে প্রভাব ফেলবে।

অন্যদিকে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা মনে করছেন, পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় এবার হাটে দাম ক্রেতাদের নাগালের মধ্যেই থাকবে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত