সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

মৎস্য রপ্তানি বাড়াতে খুলনায় সেমিনার

খুলনায় হিমায়িত মৎস্য ও মৎস্যজাত পন্যের রপ্তানি সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ এবং করনীয় শীর্ষক সেমিনার

খুলনায় হিমায়িত মৎস্য ও মৎস্যজাত পন্যের রপ্তানি সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ এবং করনীয় শীর্ষক সেমিনার
খুলনায় মৎস্য রপ্তানি নিয়ে সেমিনার, সম্ভাবনা-চ্যালেঞ্জ আলোচনায়।ছবি : চেকপোস্ট

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর জাতীয় রপ্তানি প্রশিক্ষণ কর্মসুচি ( এনটিপি)  এর আওতা রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর আয়োজনে " হিমায়িত মৎস্য ও মৎস্যজাত পন্যের রপ্তানি সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ এবং করনীয় শীর্ষক সেমিনার আজ রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোটার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী ( অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ আরিফ হাসান। 

সেমিনারে প্রধান অতিথি বলেন, খুলনা অঞ্চলের মৎস্য ও পাট গুরুত্বপূর্ণ একটি সেক্টর। এই খাতের সমস্যা চিহ্নিত করতে হবে। গ্রামীণ অর্থনীতিতে মৎস্যখাতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। এইখাতে অনেক মানুষ ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই সেক্টরকে বাচিয়ে রাখতে আমাদের কাজ করতে হবে। মৎস্য সেক্টরের যারা কাজ করেন তাদের সহানুভূতিশীল হতে হবে। তিনি বলেন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মৎস্য সম্পদ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। 

মৎস্য সেক্টরের উন্নয়নে সকলের মধ্যে সমন্বয় দরকার। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন, বিভাগীয় কমিশনার মোঃ  আব্দুল্লাহ হারুন। স্বাগত বক্তব্যে রাখেন, খুলনা রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালক ( উপসচিব) জিনাত আরা আহমেদ। সেমিনারে মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালক ( নীতি ও পরিকল্পনা বিভাগ)  আবু মোখলেছ আলমগীর হোসেন। 

সেমিনারে বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোটার্স এসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ তরিকুল ইসলাম জহীর, সহ সভাপতি এস কে কামরুল আলম। মুল প্রবন্ধে জানানে হয়, বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ মৎস্য খতের ওপর ১৯ মিলিয়নের ও বেশি মানুষ নির্ভরশীল। ইইউ,যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান,কোরিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে এই সাতটি দেশে রপ্তানির উপস্থিতি রয়েছে। 

জিডিপিতে মৎস্য সেক্টরের অবদান ২ দশমিক ৫৩ শতাংশ, কৃষিতে অবদান ২২ দশমিক ২৬ শতাংশ, মোট উৎপাদন ৫০ দশনিক ১৮ লাখ মেট্রিকটন ও মাথাপিছু মাছ গ্রহন ২৪ দশমিক ৭৪ কেজি। মোট উৎপাদন ২৩৫ মিলিয়ন টন, জলজ ১০৩ মিলিয়ন টন, সামুদ্রিক ও অভ্যন্তরিন ৯২ মিলিয়ন ও বানিজ্যিকে ১৮৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। 

বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ ১০টি দেশ নিয়ন্ত্রন করে। সেমিনারে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা, হিমায়িত মৎস্য ও মৎস্যজাত পন্যের রপ্তানিকারক, ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোটার্স এ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক, মৎস্য সেক্টরের সাথে জড়িত সংশ্লিষ্টরা ও গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।

#খুলনা #মৎস্যরপ্তানি #হিমায়িতমৎস্য

চেকপোস্ট

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


খুলনায় হিমায়িত মৎস্য ও মৎস্যজাত পন্যের রপ্তানি সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ এবং করনীয় শীর্ষক সেমিনার

প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর জাতীয় রপ্তানি প্রশিক্ষণ কর্মসুচি ( এনটিপি)  এর আওতা রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর আয়োজনে " হিমায়িত মৎস্য ও মৎস্যজাত পন্যের রপ্তানি সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ এবং করনীয় শীর্ষক সেমিনার আজ রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোটার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী ( অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ আরিফ হাসান। 

সেমিনারে প্রধান অতিথি বলেন, খুলনা অঞ্চলের মৎস্য ও পাট গুরুত্বপূর্ণ একটি সেক্টর। এই খাতের সমস্যা চিহ্নিত করতে হবে। গ্রামীণ অর্থনীতিতে মৎস্যখাতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। এইখাতে অনেক মানুষ ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই সেক্টরকে বাচিয়ে রাখতে আমাদের কাজ করতে হবে। মৎস্য সেক্টরের যারা কাজ করেন তাদের সহানুভূতিশীল হতে হবে। তিনি বলেন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মৎস্য সম্পদ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। 

মৎস্য সেক্টরের উন্নয়নে সকলের মধ্যে সমন্বয় দরকার। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন, বিভাগীয় কমিশনার মোঃ  আব্দুল্লাহ হারুন। স্বাগত বক্তব্যে রাখেন, খুলনা রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালক ( উপসচিব) জিনাত আরা আহমেদ। সেমিনারে মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালক ( নীতি ও পরিকল্পনা বিভাগ)  আবু মোখলেছ আলমগীর হোসেন। 

সেমিনারে বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোটার্স এসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ তরিকুল ইসলাম জহীর, সহ সভাপতি এস কে কামরুল আলম। মুল প্রবন্ধে জানানে হয়, বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ মৎস্য খতের ওপর ১৯ মিলিয়নের ও বেশি মানুষ নির্ভরশীল। ইইউ,যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান,কোরিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে এই সাতটি দেশে রপ্তানির উপস্থিতি রয়েছে। 

জিডিপিতে মৎস্য সেক্টরের অবদান ২ দশমিক ৫৩ শতাংশ, কৃষিতে অবদান ২২ দশমিক ২৬ শতাংশ, মোট উৎপাদন ৫০ দশনিক ১৮ লাখ মেট্রিকটন ও মাথাপিছু মাছ গ্রহন ২৪ দশমিক ৭৪ কেজি। মোট উৎপাদন ২৩৫ মিলিয়ন টন, জলজ ১০৩ মিলিয়ন টন, সামুদ্রিক ও অভ্যন্তরিন ৯২ মিলিয়ন ও বানিজ্যিকে ১৮৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। 

বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ ১০টি দেশ নিয়ন্ত্রন করে। সেমিনারে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা, হিমায়িত মৎস্য ও মৎস্যজাত পন্যের রপ্তানিকারক, ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোটার্স এ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক, মৎস্য সেক্টরের সাথে জড়িত সংশ্লিষ্টরা ও গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত