গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে উন্মুক্ত জলাশয়ে ৬০০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে।
শনিবার (২৩ মে) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলার কাজিরবাজার মৎস্য অভয়াশ্রম এ আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিং, ট্যাংরা ও পাবদা মাছের পোনা অবমুক্ত কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এস এম জিলানী।
দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উপজেলার তিনটি উন্মুক্ত জলাশয়ে এসব পোনা ছাড়া হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মা. কামরুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাগুফতা হক, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস এম শাহজাহান সিরাজ, প্রকৌশলী মো. সফিউল আজমসহ স্থানীয় প্রশাসন, বিএনপি নেতৃবৃন্দ, মৎস্যচাষি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
পোনা অবমুক্ত শেষে এমপি এস এম জিলানী বলেন, সরকার দেশীয় মাছ সংরক্ষণ ও কৃষি উন্নয়নের লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি বলেন, অনেক সরকারি খাল এখনো দখল হয়ে আছে এবং সঠিকভাবে খনন করা গেলে অধিকাংশ খাল দখলমুক্ত করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও জানান, জলাশয় সংরক্ষণ ও দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়াতে সরকার ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে উন্মুক্ত জলাশয়ে ৬০০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে।
শনিবার (২৩ মে) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলার কাজিরবাজার মৎস্য অভয়াশ্রম এ আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিং, ট্যাংরা ও পাবদা মাছের পোনা অবমুক্ত কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এস এম জিলানী।
দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উপজেলার তিনটি উন্মুক্ত জলাশয়ে এসব পোনা ছাড়া হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মা. কামরুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাগুফতা হক, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস এম শাহজাহান সিরাজ, প্রকৌশলী মো. সফিউল আজমসহ স্থানীয় প্রশাসন, বিএনপি নেতৃবৃন্দ, মৎস্যচাষি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
পোনা অবমুক্ত শেষে এমপি এস এম জিলানী বলেন, সরকার দেশীয় মাছ সংরক্ষণ ও কৃষি উন্নয়নের লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি বলেন, অনেক সরকারি খাল এখনো দখল হয়ে আছে এবং সঠিকভাবে খনন করা গেলে অধিকাংশ খাল দখলমুক্ত করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও জানান, জলাশয় সংরক্ষণ ও দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়াতে সরকার ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
