পাবনার বেড়ায় আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কৈটোলায় ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তসহ ২৫ কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘বিদ্যাসেতু’ (BIDDYASETU)-এর উদ্যোগে রোববার (৪ অক্টোবর) সকাল ১০টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে ‘বিদ্যাসেতু’র সভাপতি মির্জা সেলিম জাহাঙ্গীর সোহেল সভাপতিত্ব করেন। সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ এমদাদুল হক।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কৈটোলার ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মির্জা কামাল পাশা এবং ‘বিদ্যাসেতু’র প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডভোকেট মোশারফ হোসেন বাচ্চু।
প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে উপহার হিসেবে নগদ ৫ হাজার টাকা, একটি অক্সফোর্ড ডিকশনারি, নোটবুক ও সম্মাননা ক্রেস্ট দেওয়া হয়।
এ ছাড়া বিদ্যালয়ের সপ্তম থেকে দশম শ্রেণির প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী ১২ জন শিক্ষার্থীকে নগদ ১ হাজার টাকা ও একটি করে অক্সফোর্ড ডিকশনারি প্রদান করা হয়।
পাশাপাশি পঞ্চম শ্রেণিতে বৃত্তিপ্রাপ্ত ৮ জন শিক্ষার্থীকেও উৎসাহ দিতে একটি করে অক্সফোর্ড ডিকশনারি উপহার দেওয়া হয়।
আলোচনা পর্বে অতিথিরা শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও পড়ালেখার মানোন্নয়নে বিভিন্ন উৎসাহমূলক দিকনির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।
‘বিদ্যাসেতু’র নেতৃবৃন্দ জানান, এলাকায় শিক্ষার প্রসার এবং শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে উৎসাহিত করতেই প্রতিবছর কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ‘বিদ্যাসেতু’র অন্যান্য সদস্য, বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
পাবনার বেড়ায় আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কৈটোলায় ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তসহ ২৫ কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘বিদ্যাসেতু’ (BIDDYASETU)-এর উদ্যোগে রোববার (৪ অক্টোবর) সকাল ১০টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে ‘বিদ্যাসেতু’র সভাপতি মির্জা সেলিম জাহাঙ্গীর সোহেল সভাপতিত্ব করেন। সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ এমদাদুল হক।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কৈটোলার ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মির্জা কামাল পাশা এবং ‘বিদ্যাসেতু’র প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডভোকেট মোশারফ হোসেন বাচ্চু।
প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে উপহার হিসেবে নগদ ৫ হাজার টাকা, একটি অক্সফোর্ড ডিকশনারি, নোটবুক ও সম্মাননা ক্রেস্ট দেওয়া হয়।
এ ছাড়া বিদ্যালয়ের সপ্তম থেকে দশম শ্রেণির প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী ১২ জন শিক্ষার্থীকে নগদ ১ হাজার টাকা ও একটি করে অক্সফোর্ড ডিকশনারি প্রদান করা হয়।
পাশাপাশি পঞ্চম শ্রেণিতে বৃত্তিপ্রাপ্ত ৮ জন শিক্ষার্থীকেও উৎসাহ দিতে একটি করে অক্সফোর্ড ডিকশনারি উপহার দেওয়া হয়।
আলোচনা পর্বে অতিথিরা শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও পড়ালেখার মানোন্নয়নে বিভিন্ন উৎসাহমূলক দিকনির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।
‘বিদ্যাসেতু’র নেতৃবৃন্দ জানান, এলাকায় শিক্ষার প্রসার এবং শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে উৎসাহিত করতেই প্রতিবছর কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ‘বিদ্যাসেতু’র অন্যান্য সদস্য, বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
