ঋতুচক্রের আবর্তনে প্রকৃতিতে এখন শরৎ। নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা আর মাঠজুড়ে শুভ্র কাশফুল প্রকৃতির এমন অপরূপ সাজে মুগ্ধ হয়ে উঠেছে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের ছোট ব্রিজ সংলগ্ন চরাঞ্চল। প্রায় হাজার একর পতিত জমি এখন সাদা কাশফুলে ঢেকে গিয়ে পরিণত হয়েছে নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমিতে।
সরেজমিনে দেখা যায়, দপদপিয়া ছোট ব্রিজ পার হতেই বাতাসের দোলায় মাথা নাড়ছে সারি সারি কাশফুল। দখিনা বাতাসে কাশবনের ছন্দময় দোলা আর বিকেলের মিষ্টি রোদ মিলিয়ে তৈরি হচ্ছে এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্য।
শহুরে জীবনের ব্যস্ততা ও যান্ত্রিক কোলাহল থেকে একটু স্বস্তি পেতে প্রতিদিন বিকেলে এখানে ভিড় করছেন তরুণ-তরুণীসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। কেউ কাশবনের সৌন্দর্য উপভোগ করছেন, কেউ মুঠোফোনে ছবি তুলছেন। আবার অনেকে তৈরি করছেন টিকটক ও রিলস ভিডিও।
বিকেল গড়াতেই দর্শনার্থীদের আনাগোনায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। কাশফুলের শুভ্রতা, খোলা আকাশ আর নির্মল বাতাস মিলে জায়গাটি হয়ে উঠেছে স্থানীয়দের কাছে আকর্ষণীয় একটি প্রাকৃতিক দর্শনীয় স্থান।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী বলেন, “শহুরে কোলাহল থেকে দূরে নলছিটির এই বিশাল কাশবন বুক ভরে নিশ্বাস নেওয়ার দারুণ একটি জায়গা। ছোট ব্রিজের ওপর দাঁড়িয়ে বিস্তৃত কাশবনের ওপর বিকেলের মিষ্টি রোদ পড়ার দৃশ্য সত্যিই অসাধারণ।”
দর্শনার্থীদের মতে, কাশবনের সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলে এবং কাশফুল নষ্ট না করে এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সংরক্ষণ করা জরুরি।
প্রকৃতির নিজস্ব সৌন্দর্যে নলছিটির দপদপিয়া ছোট ব্রিজ এখন যেন শরতের এক টুকরো সাদা স্বর্গ।

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
ঋতুচক্রের আবর্তনে প্রকৃতিতে এখন শরৎ। নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা আর মাঠজুড়ে শুভ্র কাশফুল প্রকৃতির এমন অপরূপ সাজে মুগ্ধ হয়ে উঠেছে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের ছোট ব্রিজ সংলগ্ন চরাঞ্চল। প্রায় হাজার একর পতিত জমি এখন সাদা কাশফুলে ঢেকে গিয়ে পরিণত হয়েছে নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমিতে।
সরেজমিনে দেখা যায়, দপদপিয়া ছোট ব্রিজ পার হতেই বাতাসের দোলায় মাথা নাড়ছে সারি সারি কাশফুল। দখিনা বাতাসে কাশবনের ছন্দময় দোলা আর বিকেলের মিষ্টি রোদ মিলিয়ে তৈরি হচ্ছে এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্য।
শহুরে জীবনের ব্যস্ততা ও যান্ত্রিক কোলাহল থেকে একটু স্বস্তি পেতে প্রতিদিন বিকেলে এখানে ভিড় করছেন তরুণ-তরুণীসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। কেউ কাশবনের সৌন্দর্য উপভোগ করছেন, কেউ মুঠোফোনে ছবি তুলছেন। আবার অনেকে তৈরি করছেন টিকটক ও রিলস ভিডিও।
বিকেল গড়াতেই দর্শনার্থীদের আনাগোনায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। কাশফুলের শুভ্রতা, খোলা আকাশ আর নির্মল বাতাস মিলে জায়গাটি হয়ে উঠেছে স্থানীয়দের কাছে আকর্ষণীয় একটি প্রাকৃতিক দর্শনীয় স্থান।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী বলেন, “শহুরে কোলাহল থেকে দূরে নলছিটির এই বিশাল কাশবন বুক ভরে নিশ্বাস নেওয়ার দারুণ একটি জায়গা। ছোট ব্রিজের ওপর দাঁড়িয়ে বিস্তৃত কাশবনের ওপর বিকেলের মিষ্টি রোদ পড়ার দৃশ্য সত্যিই অসাধারণ।”
দর্শনার্থীদের মতে, কাশবনের সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলে এবং কাশফুল নষ্ট না করে এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সংরক্ষণ করা জরুরি।
প্রকৃতির নিজস্ব সৌন্দর্যে নলছিটির দপদপিয়া ছোট ব্রিজ এখন যেন শরতের এক টুকরো সাদা স্বর্গ।
