মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

উচ্চ মুনাফার প্রলোভনে বিনিয়োগ প্রতারণা

কৃষি প্রকল্পের নামে ৪০০ কোটি টাকা প্রতারণা, সিআইডির অভিযানে গ্রেপ্তার ১

কৃষি প্রকল্পের নামে ৪০০ কোটি টাকা প্রতারণা, সিআইডির অভিযানে গ্রেপ্তার ১
ছবি: সিআইডি

কথিত কৃষি প্রকল্পের নামে শত শত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এক প্রতারক চক্রের সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি

গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মো. ওবায়েদুল্লাহ ৩৩। মঙ্গলবার ৫ মে ভোরে রাজধানীর সবুজবাগ থানার বাসাবো এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয় বলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে সিআইডি।

তদন্তে উঠে এসেছে, নাজরান ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাগ্রো নামে একটি ভুয়া প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে উচ্চ মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অর্থ সংগ্রহ করে আসছিল চক্রটি।

বিনিয়োগকারীদের প্রতি ১ লাখ টাকায় মাসিক ৩ হাজার টাকা লাভ এবং মেয়াদ শেষে দ্বিগুণ টাকা ফেরতের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হতো বলে জানা যায়।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২৩ সালের মে মাসে কুড়িল এলাকার অফিসে প্রথমে কয়েকজন ভুক্তভোগী কয়েক লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন। পরে আংশিক টাকা ফেরত দিয়ে আস্থা তৈরি করা হয় এবং ধাপে ধাপে বড় অঙ্কের বিনিয়োগে উৎসাহিত করা হয়।

পরবর্তীতে ‘প্লট ক্রয় বাধ্যতামূলক’ করার কথা বলে মোট ১ কোটি ৬৩ লাখ টাকার বেশি আত্মসাৎ করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। একপর্যায়ে অফিস বন্ধ করে চক্রটি আত্মগোপনে চলে যায়।

সিআইডির তদন্তে এখন পর্যন্ত প্রায় ৪০০ কোটি টাকার বিনিয়োগের তথ্য পাওয়া গেছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তির ১৪টি ব্যাংক হিসাবে প্রায় আড়াই কোটি টাকার লেনদেনের প্রমাণও মিলেছে।

সিআইডি জানিয়েছে, এই চক্রের আরও সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে অচেনা ও যাচাইবিহীন প্রতিষ্ঠানে উচ্চ মুনাফার প্রলোভনে বিনিয়োগ না করার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।

তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

#সিআইডি #প্রতারণা #বিনিয়োগঠকবাজি

চেকপোস্ট

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


কৃষি প্রকল্পের নামে ৪০০ কোটি টাকা প্রতারণা, সিআইডির অভিযানে গ্রেপ্তার ১

প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬

featured Image

কথিত কৃষি প্রকল্পের নামে শত শত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এক প্রতারক চক্রের সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি

গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মো. ওবায়েদুল্লাহ ৩৩। মঙ্গলবার ৫ মে ভোরে রাজধানীর সবুজবাগ থানার বাসাবো এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয় বলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে সিআইডি।

তদন্তে উঠে এসেছে, নাজরান ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাগ্রো নামে একটি ভুয়া প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে উচ্চ মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অর্থ সংগ্রহ করে আসছিল চক্রটি।

বিনিয়োগকারীদের প্রতি ১ লাখ টাকায় মাসিক ৩ হাজার টাকা লাভ এবং মেয়াদ শেষে দ্বিগুণ টাকা ফেরতের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হতো বলে জানা যায়।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২৩ সালের মে মাসে কুড়িল এলাকার অফিসে প্রথমে কয়েকজন ভুক্তভোগী কয়েক লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন। পরে আংশিক টাকা ফেরত দিয়ে আস্থা তৈরি করা হয় এবং ধাপে ধাপে বড় অঙ্কের বিনিয়োগে উৎসাহিত করা হয়।

পরবর্তীতে ‘প্লট ক্রয় বাধ্যতামূলক’ করার কথা বলে মোট ১ কোটি ৬৩ লাখ টাকার বেশি আত্মসাৎ করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। একপর্যায়ে অফিস বন্ধ করে চক্রটি আত্মগোপনে চলে যায়।

সিআইডির তদন্তে এখন পর্যন্ত প্রায় ৪০০ কোটি টাকার বিনিয়োগের তথ্য পাওয়া গেছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তির ১৪টি ব্যাংক হিসাবে প্রায় আড়াই কোটি টাকার লেনদেনের প্রমাণও মিলেছে।

সিআইডি জানিয়েছে, এই চক্রের আরও সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে অচেনা ও যাচাইবিহীন প্রতিষ্ঠানে উচ্চ মুনাফার প্রলোভনে বিনিয়োগ না করার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।

তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত