কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের বাজার নিশ্চিতের পাশাপাশি তাঁর ঘাম ও শ্রমের যথাযথ মূল্য দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকালে জয়পুরহাটের কালাই হাট ও বাজার এলাকায় প্রায় ১৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত মিনি কোল্ড স্টোরেজ উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
খাদ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, কৃষককে শক্তিশালী করতে হলে শুধু উৎপাদন বাড়ালেই হবে না, উৎপাদিত পণ্যের সঠিক সংরক্ষণ ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হবে। সরকারি প্রণোদনা ও উন্নয়ন কর্মসূচির সুফল যেন প্রকৃত প্রান্তিক কৃষকের কাছে পৌঁছায়, সেদিকেও সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, সংরক্ষণের সুযোগ না থাকায় অনেক কৃষক উৎপাদনের পরপরই কম দামে পণ্য বিক্রি করতে বাধ্য হন। মিনি কোল্ড স্টোরেজ চালু হওয়ায় স্থানীয় কৃষকেরা উৎপাদিত সবজি কিছু সময় সংরক্ষণ করে বাজার পরিস্থিতি বুঝে সুবিধাজনক সময়ে বিক্রি করতে পারবেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, কৃষিকে শুধু উৎপাদননির্ভর রাখলে হবে না। উৎপাদন থেকে সংরক্ষণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ—প্রতিটি ধাপে আধুনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। কৃষিপণ্যের অপচয় কমানো গেলে কৃষকের আয় বাড়ার পাশাপাশি বাজারও স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হবে।
কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় নির্মিত মিনি কোল্ড স্টোরেজটি কৃষকের উৎপাদিত সবজি সংরক্ষণ ও সুবিধাজনক সময়ে বাজারজাতের সুযোগ তৈরি করবে। এতে সংরক্ষণজনিত অপচয় কমার পাশাপাশি কৃষক ন্যায্যমূল্য পাওয়ার সুযোগ পাবেন বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
অনুষ্ঠানে জয়পুরহাট জেলা প্রশাসক মো. আল মামুন মিয়া, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মনজু আলম সরকার, কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হারুনুর রশিদসহ কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও কৃষকেরা উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের বাজার নিশ্চিতের পাশাপাশি তাঁর ঘাম ও শ্রমের যথাযথ মূল্য দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকালে জয়পুরহাটের কালাই হাট ও বাজার এলাকায় প্রায় ১৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত মিনি কোল্ড স্টোরেজ উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
খাদ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, কৃষককে শক্তিশালী করতে হলে শুধু উৎপাদন বাড়ালেই হবে না, উৎপাদিত পণ্যের সঠিক সংরক্ষণ ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হবে। সরকারি প্রণোদনা ও উন্নয়ন কর্মসূচির সুফল যেন প্রকৃত প্রান্তিক কৃষকের কাছে পৌঁছায়, সেদিকেও সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, সংরক্ষণের সুযোগ না থাকায় অনেক কৃষক উৎপাদনের পরপরই কম দামে পণ্য বিক্রি করতে বাধ্য হন। মিনি কোল্ড স্টোরেজ চালু হওয়ায় স্থানীয় কৃষকেরা উৎপাদিত সবজি কিছু সময় সংরক্ষণ করে বাজার পরিস্থিতি বুঝে সুবিধাজনক সময়ে বিক্রি করতে পারবেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, কৃষিকে শুধু উৎপাদননির্ভর রাখলে হবে না। উৎপাদন থেকে সংরক্ষণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ—প্রতিটি ধাপে আধুনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। কৃষিপণ্যের অপচয় কমানো গেলে কৃষকের আয় বাড়ার পাশাপাশি বাজারও স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হবে।
কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় নির্মিত মিনি কোল্ড স্টোরেজটি কৃষকের উৎপাদিত সবজি সংরক্ষণ ও সুবিধাজনক সময়ে বাজারজাতের সুযোগ তৈরি করবে। এতে সংরক্ষণজনিত অপচয় কমার পাশাপাশি কৃষক ন্যায্যমূল্য পাওয়ার সুযোগ পাবেন বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
অনুষ্ঠানে জয়পুরহাট জেলা প্রশাসক মো. আল মামুন মিয়া, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মনজু আলম সরকার, কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হারুনুর রশিদসহ কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও কৃষকেরা উপস্থিত ছিলেন।
