পড়াশোনা কিংবা কাজের সময় অনেকেই পছন্দের গান শুনতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। কারও কাছে গান একঘেয়েমি কমিয়ে কাজে মন বসাতে সাহায্য করে, আবার কারও ক্ষেত্রে গান চালু হলেই মনোযোগ নষ্ট হয়ে যায়। তাহলে কাজের সময় গান শোনা আসলে উপকারী, নাকি ক্ষতিকর?
বৈজ্ঞানিক গবেষণায় এর একক কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। গানের প্রভাব নির্ভর করতে পারে কাজের ধরন, গানের ধরন এবং ব্যক্তির অভ্যাসের ওপর।
তবে গান শুনে কাজ করতে ভালো লাগছে মানেই যে স্মৃতি বা তথ্য মনে রাখার ক্ষমতাও বেড়েছে এমনটা ধরে নেওয়া ঠিক নয়।
২০২৩ সালের একটি গবেষণায় দেখা যায়, লিরিক্সযুক্ত গান মৌখিক ও দৃশ্যগত স্মৃতি এবং পড়ার বোধগম্যতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে instrumental music-এর ক্ষেত্রে স্পষ্ট ক্ষতি বা উপকার নিশ্চিত করা যায়নি।
২০২৪ সালের আরেক গবেষণাতেও দেখা গেছে, লিরিক্সসহ পপ গান পড়ার বোঝার ক্ষমতা কমাতে পারে। বিশেষ করে পড়ার ভাষার সঙ্গে গানের ভাষা মিলে গেলে বিভ্রান্তি বাড়তে পারে।
২০২১ সালের গবেষণায়ও দেখা গেছে, কঠিন cognitive task-এর সময় ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকের প্রভাব ব্যক্তি ও কাজের ধরন অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।
গান শুনে পড়ার অভ্যাস থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও ফল আলাদা হতে পারে। ২০২৪ সালের গবেষণায় নিয়মিত গান শুনে পড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে লিরিক্সযুক্ত গানের নেতিবাচক প্রভাব তুলনামূলক কম দেখা গেছে।
অন্যদিকে নতুন বিষয় শেখা, বই পড়া, লেখা, মুখস্থ করা বা জটিল হিসাবের সময় নীরব পরিবেশ অনেকের জন্য বেশি কার্যকর হতে পারে।
গান ও cognitive performance নিয়ে ২০২৪ সালের একটি systematic review-তেও প্রভাবকে মিশ্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ সবার জন্য একই নিয়ম প্রযোজ্য নয়।
তাই পছন্দের গান মানেই কাজের জন্য সেরা গান এমনটি বলা যায় না।
গানের ধরন, লিরিক্স, কাজের জটিলতা এবং ব্যক্তির অভ্যাস সবকিছুর ওপর ফলাফল বদলে যেতে পারে। তাই কঠিন পড়াশোনা বা মনোযোগনির্ভর কাজের সময় নীরবতা দিয়ে শুরু করা, আর সহজ বা একঘেয়ে কাজের ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক ব্যবহার করা যেতে পারে।

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পড়াশোনা কিংবা কাজের সময় অনেকেই পছন্দের গান শুনতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। কারও কাছে গান একঘেয়েমি কমিয়ে কাজে মন বসাতে সাহায্য করে, আবার কারও ক্ষেত্রে গান চালু হলেই মনোযোগ নষ্ট হয়ে যায়। তাহলে কাজের সময় গান শোনা আসলে উপকারী, নাকি ক্ষতিকর?
বৈজ্ঞানিক গবেষণায় এর একক কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। গানের প্রভাব নির্ভর করতে পারে কাজের ধরন, গানের ধরন এবং ব্যক্তির অভ্যাসের ওপর।
তবে গান শুনে কাজ করতে ভালো লাগছে মানেই যে স্মৃতি বা তথ্য মনে রাখার ক্ষমতাও বেড়েছে এমনটা ধরে নেওয়া ঠিক নয়।
২০২৩ সালের একটি গবেষণায় দেখা যায়, লিরিক্সযুক্ত গান মৌখিক ও দৃশ্যগত স্মৃতি এবং পড়ার বোধগম্যতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে instrumental music-এর ক্ষেত্রে স্পষ্ট ক্ষতি বা উপকার নিশ্চিত করা যায়নি।
২০২৪ সালের আরেক গবেষণাতেও দেখা গেছে, লিরিক্সসহ পপ গান পড়ার বোঝার ক্ষমতা কমাতে পারে। বিশেষ করে পড়ার ভাষার সঙ্গে গানের ভাষা মিলে গেলে বিভ্রান্তি বাড়তে পারে।
২০২১ সালের গবেষণায়ও দেখা গেছে, কঠিন cognitive task-এর সময় ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকের প্রভাব ব্যক্তি ও কাজের ধরন অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।
গান শুনে পড়ার অভ্যাস থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও ফল আলাদা হতে পারে। ২০২৪ সালের গবেষণায় নিয়মিত গান শুনে পড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে লিরিক্সযুক্ত গানের নেতিবাচক প্রভাব তুলনামূলক কম দেখা গেছে।
অন্যদিকে নতুন বিষয় শেখা, বই পড়া, লেখা, মুখস্থ করা বা জটিল হিসাবের সময় নীরব পরিবেশ অনেকের জন্য বেশি কার্যকর হতে পারে।
গান ও cognitive performance নিয়ে ২০২৪ সালের একটি systematic review-তেও প্রভাবকে মিশ্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ সবার জন্য একই নিয়ম প্রযোজ্য নয়।
তাই পছন্দের গান মানেই কাজের জন্য সেরা গান এমনটি বলা যায় না।
গানের ধরন, লিরিক্স, কাজের জটিলতা এবং ব্যক্তির অভ্যাস সবকিছুর ওপর ফলাফল বদলে যেতে পারে। তাই কঠিন পড়াশোনা বা মনোযোগনির্ভর কাজের সময় নীরবতা দিয়ে শুরু করা, আর সহজ বা একঘেয়ে কাজের ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক ব্যবহার করা যেতে পারে।
