কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল-এ হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ৪৫ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে শুধু জেলা সদর হাসপাতালের ২০ বেডের বিশেষ ‘হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে’ ভর্তি আছেন ৭০ জন রোগী।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় চিকিৎসক ও নার্সরা চরম সংকটে পড়েছেন। বর্তমানে আইসোলেশন ওয়ার্ডে মাত্র ৫ জন চিকিৎসক দায়িত্ব পালন করছেন।
শান্তনু ঘোষ, কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের আরএমও বলেন, বেড সংকটের কারণে এক বেডে ২ থেকে ৩ জন শিশুকে রেখেই চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। অতিরিক্ত চিকিৎসক নিয়োগ না দিলে সেবা আরও ব্যাহত হবে বলে তিনি জানান।
কক্সবাজার সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৯ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত জেলায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮৩৩ জনে। এর মধ্যে ১১৯ জনের শরীরে হামের সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে।
এ পর্যন্ত জেলায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ১৪০ জন।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নজরদারি ও চিকিৎসা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে, তবে রোগীর চাপ দ্রুত বাড়ছে।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল-এ হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ৪৫ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে শুধু জেলা সদর হাসপাতালের ২০ বেডের বিশেষ ‘হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে’ ভর্তি আছেন ৭০ জন রোগী।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় চিকিৎসক ও নার্সরা চরম সংকটে পড়েছেন। বর্তমানে আইসোলেশন ওয়ার্ডে মাত্র ৫ জন চিকিৎসক দায়িত্ব পালন করছেন।
শান্তনু ঘোষ, কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের আরএমও বলেন, বেড সংকটের কারণে এক বেডে ২ থেকে ৩ জন শিশুকে রেখেই চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। অতিরিক্ত চিকিৎসক নিয়োগ না দিলে সেবা আরও ব্যাহত হবে বলে তিনি জানান।
কক্সবাজার সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৯ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত জেলায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮৩৩ জনে। এর মধ্যে ১১৯ জনের শরীরে হামের সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে।
এ পর্যন্ত জেলায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ১৪০ জন।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নজরদারি ও চিকিৎসা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে, তবে রোগীর চাপ দ্রুত বাড়ছে।
