২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ প্রযুক্তিনির্ভর ও আধুনিক করার লক্ষ্যে একগুচ্ছ বৈপ্লবিক পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচিসহ নতুন রূপরেখা তুলে ধরেন।
এই কর্মসূচির আওতায় শিক্ষকদের ডিজিটাল সক্ষমতা বাড়াতে ট্যাব সরবরাহ করা হবে। পাশাপাশি প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই সুবিধা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
সরকার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিকে শিক্ষা ও উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে গ্রহণ করেছে। বাজেট বক্তৃতায় বলা হয়, শিক্ষায় এআই অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রের জন্য দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক করে গড়ে তোলা হবে।
এতে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববাজারের উপযোগী কারিগরি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবে।
এছাড়া প্রযুক্তি খাতে তরুণদের উৎসাহ দিতে ৫০০ কোটি টাকার একটি বিশেষ ‘স্টার্ট-আপ তহবিল’ গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এই তহবিল থেকে স্টার্ট-আপ, ফ্রিল্যান্সিং, কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবং এআই নির্ভর তরুণ উদ্যোক্তাদের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হবে।
সরকারের লক্ষ্য হলো তরুণদের উদ্ভাবনী শক্তি কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী আইসিটি ও প্রযুক্তি রপ্তানিকারক দেশে রূপান্তর করা।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ প্রযুক্তিনির্ভর ও আধুনিক করার লক্ষ্যে একগুচ্ছ বৈপ্লবিক পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচিসহ নতুন রূপরেখা তুলে ধরেন।
এই কর্মসূচির আওতায় শিক্ষকদের ডিজিটাল সক্ষমতা বাড়াতে ট্যাব সরবরাহ করা হবে। পাশাপাশি প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই সুবিধা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
সরকার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিকে শিক্ষা ও উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে গ্রহণ করেছে। বাজেট বক্তৃতায় বলা হয়, শিক্ষায় এআই অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রের জন্য দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক করে গড়ে তোলা হবে।
এতে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববাজারের উপযোগী কারিগরি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবে।
এছাড়া প্রযুক্তি খাতে তরুণদের উৎসাহ দিতে ৫০০ কোটি টাকার একটি বিশেষ ‘স্টার্ট-আপ তহবিল’ গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এই তহবিল থেকে স্টার্ট-আপ, ফ্রিল্যান্সিং, কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবং এআই নির্ভর তরুণ উদ্যোক্তাদের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হবে।
সরকারের লক্ষ্য হলো তরুণদের উদ্ভাবনী শক্তি কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী আইসিটি ও প্রযুক্তি রপ্তানিকারক দেশে রূপান্তর করা।
