ঈদুল আজহার ছুটির সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পোস্টারিংকে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
শুক্রবার (২৯ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেট ও বিবিএ ভবনের বিভিন্ন স্থানে এসব পোস্টার দেখা যায়। পোস্টারগুলোতে শেখ মুজিবুর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সজীব ওয়াজেদ জয়ের ছবি ব্যবহার করা হয়। পাশাপাশি নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের ছবিও দেখা যায়।
পোস্টারগুলোর স্লোগানে লেখা ছিল ‘শিক্ষার অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে’, ছাত্রলীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে এবং রাজবন্দিদের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।
এই কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আশিক-ই-আতাহার মেসবাহ এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান। তাদের সঙ্গে ছিলেন শাখা নেতা সাজবুল ইসলাম।
এ বিষয়ে জবি ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান বলেন, স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে সংগঠনটির ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি দাবি করেন, শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
ঘটনাটি নিয়ে ক্যাম্পাসে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে এবং বিষয়টি ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মে ২০২৬
ঈদুল আজহার ছুটির সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পোস্টারিংকে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
শুক্রবার (২৯ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেট ও বিবিএ ভবনের বিভিন্ন স্থানে এসব পোস্টার দেখা যায়। পোস্টারগুলোতে শেখ মুজিবুর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সজীব ওয়াজেদ জয়ের ছবি ব্যবহার করা হয়। পাশাপাশি নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের ছবিও দেখা যায়।
পোস্টারগুলোর স্লোগানে লেখা ছিল ‘শিক্ষার অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে’, ছাত্রলীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে এবং রাজবন্দিদের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।
এই কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আশিক-ই-আতাহার মেসবাহ এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান। তাদের সঙ্গে ছিলেন শাখা নেতা সাজবুল ইসলাম।
এ বিষয়ে জবি ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান বলেন, স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে সংগঠনটির ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি দাবি করেন, শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
ঘটনাটি নিয়ে ক্যাম্পাসে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে এবং বিষয়টি ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
