শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান,
অফিস ও দপ্তরসহ শিক্ষা
পরিবারের সব প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি
রক্ষায় কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা
অধিদপ্তর (মাউশি)।
শিক্ষার
পরিবেশ উন্নয়ন, স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে তদারকির লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সিসিটিভি মনিটরিং ব্যবস্থা চালু, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে কঠোরতা, সরকারি কার্যক্রমের প্রচারণা, লাইভ মনিটরিং ও প্রশিক্ষণসহ বেশ
কিছু কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সংস্থাটি।
সম্প্রতি
শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কিছু কর্মকাণ্ড নিয়ে গণমাধ্যমে সমালোচনা প্রকাশ পাওয়ার পর ভাবমূর্তি রক্ষায়
আরও সতর্ক হয়েছে মাউশি। বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও অপপ্রচার ঠেকাতে
দায়িত্বশীল আচরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
মাউশির
সমন্বয় সভায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা’ যথাযথভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নীতিমালা
ভঙ্গ করে শিক্ষা পরিবারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়—এমন কোনো
পোস্ট, মন্তব্য বা কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে
বিধি অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
গত
১১ আগস্ট মাউশিতে অনুষ্ঠিত আগস্ট মাসের সমন্বয় সভায় এসব বিষয়ে নির্দেশনা দেন মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন
আল মাহমুদ সোহেল।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের
কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ করতে কেন্দ্রীয়ভাবে সিসিটিভি মনিটরিং ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে মাউশি।
জানা
গেছে, বর্তমানে দেশের প্রায় ৫২ শতাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে
সিসিটিভি সুবিধা রয়েছে এবং প্রায় ৫২ হাজার ক্যামেরা
সচল আছে। নতুন ব্যবস্থার আওতায় এসব প্রযুক্তি আরও সমন্বিতভাবে ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
সিসিটিভি
স্থাপনের বিভিন্ন প্রস্তাব যাচাই করে কারিগরি কমিটিকে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দিতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্রীয়
সিসিটিভি ব্যবস্থা পুরোপুরি চালুর আগ পর্যন্ত ডিজিটাল
মনিটরিং সিস্টেম (ডিএমএস) অ্যাপের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হবে।
এ
ছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে নিয়মিত ভিডিও কলের মাধ্যমে তদারকি কার্যক্রম চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মাঠপর্যায়ের
কর্মকর্তাদের দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও জোরদার করছে মাউশি। আগামী সেপ্টেম্বর থেকে ৪১টি ব্যাচে এক হাজার ২৫
জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নতুন মডিউলে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
এর
মাধ্যমে শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের জন্য দক্ষ জনবল তৈরি করা হবে।
শিক্ষা
খাতে সরকারের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ও ইতিবাচক উদ্যোগগুলো
গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
তুলে ধরতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মাউশি
জানিয়েছে, শিক্ষা পরিবারের মর্যাদা রক্ষা, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনাই এসব উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান,
অফিস ও দপ্তরসহ শিক্ষা
পরিবারের সব প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি
রক্ষায় কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা
অধিদপ্তর (মাউশি)।
শিক্ষার
পরিবেশ উন্নয়ন, স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে তদারকির লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সিসিটিভি মনিটরিং ব্যবস্থা চালু, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে কঠোরতা, সরকারি কার্যক্রমের প্রচারণা, লাইভ মনিটরিং ও প্রশিক্ষণসহ বেশ
কিছু কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সংস্থাটি।
সম্প্রতি
শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কিছু কর্মকাণ্ড নিয়ে গণমাধ্যমে সমালোচনা প্রকাশ পাওয়ার পর ভাবমূর্তি রক্ষায়
আরও সতর্ক হয়েছে মাউশি। বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও অপপ্রচার ঠেকাতে
দায়িত্বশীল আচরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
মাউশির
সমন্বয় সভায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা’ যথাযথভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নীতিমালা
ভঙ্গ করে শিক্ষা পরিবারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়—এমন কোনো
পোস্ট, মন্তব্য বা কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে
বিধি অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
গত
১১ আগস্ট মাউশিতে অনুষ্ঠিত আগস্ট মাসের সমন্বয় সভায় এসব বিষয়ে নির্দেশনা দেন মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন
আল মাহমুদ সোহেল।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের
কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ করতে কেন্দ্রীয়ভাবে সিসিটিভি মনিটরিং ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে মাউশি।
জানা
গেছে, বর্তমানে দেশের প্রায় ৫২ শতাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে
সিসিটিভি সুবিধা রয়েছে এবং প্রায় ৫২ হাজার ক্যামেরা
সচল আছে। নতুন ব্যবস্থার আওতায় এসব প্রযুক্তি আরও সমন্বিতভাবে ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
সিসিটিভি
স্থাপনের বিভিন্ন প্রস্তাব যাচাই করে কারিগরি কমিটিকে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দিতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্রীয়
সিসিটিভি ব্যবস্থা পুরোপুরি চালুর আগ পর্যন্ত ডিজিটাল
মনিটরিং সিস্টেম (ডিএমএস) অ্যাপের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হবে।
এ
ছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে নিয়মিত ভিডিও কলের মাধ্যমে তদারকি কার্যক্রম চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মাঠপর্যায়ের
কর্মকর্তাদের দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও জোরদার করছে মাউশি। আগামী সেপ্টেম্বর থেকে ৪১টি ব্যাচে এক হাজার ২৫
জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নতুন মডিউলে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
এর
মাধ্যমে শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের জন্য দক্ষ জনবল তৈরি করা হবে।
শিক্ষা
খাতে সরকারের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ও ইতিবাচক উদ্যোগগুলো
গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে
তুলে ধরতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মাউশি
জানিয়েছে, শিক্ষা পরিবারের মর্যাদা রক্ষা, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনাই এসব উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
