ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনা ‘প্রায় চূড়ান্ত’ বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া হবে।
তবে ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে ‘অবাস্তব’ বলে উল্লেখ করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ। তাদের দাবি, চুক্তি কার্যকর হলে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ থাকবে ইরানের হাতেই। ফলে এটি খোলার বিষয়ে একক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ যুক্তরাষ্ট্রের নেই।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, দুই দেশের বিরোধ কিছুটা কমলেও এখনও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা চলছে। চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য আরও কয়েকদিন অপেক্ষা করতে হবে।
এদিকে এই শান্তি আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির তেহরানে ইরানি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনী আলোচনাকে ‘আশানুরূপ’ বলে জানিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি স্থায়ী হলে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে স্বস্তি ফিরতে পারে। কারণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় আন্তর্জাতিক তেল পরিবহন ও জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছিল।

রোববার, ২৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনা ‘প্রায় চূড়ান্ত’ বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া হবে।
তবে ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে ‘অবাস্তব’ বলে উল্লেখ করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ। তাদের দাবি, চুক্তি কার্যকর হলে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ থাকবে ইরানের হাতেই। ফলে এটি খোলার বিষয়ে একক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ যুক্তরাষ্ট্রের নেই।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, দুই দেশের বিরোধ কিছুটা কমলেও এখনও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা চলছে। চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য আরও কয়েকদিন অপেক্ষা করতে হবে।
এদিকে এই শান্তি আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির তেহরানে ইরানি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনী আলোচনাকে ‘আশানুরূপ’ বলে জানিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি স্থায়ী হলে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে স্বস্তি ফিরতে পারে। কারণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় আন্তর্জাতিক তেল পরিবহন ও জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছিল।
