রোববার, ২৪ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

বিশ্ব

৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর পরিকল্পনা

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি ঘিরে বড় ইঙ্গিত, হরমুজ খুলে দেওয়ার আলোচনা

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি ঘিরে বড় ইঙ্গিত, হরমুজ খুলে দেওয়ার আলোচনা
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা। ছবি: সংগৃহীত

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই সম্ভাব্য নতুন চুক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এ বিষয়ে ‘সুসংবাদ’ আসতে পারে। একইসঙ্গে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ থামাতে একটি সমঝোতা স্মারকের অধিকাংশ আলোচনা শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের তথ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য এই চুক্তিতে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি বাড়ানো, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং ইরানের তেল রপ্তানিতে বাধা কমানোর বিষয় থাকতে পারে। এছাড়া পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার বিষয়ে আলোচনাও চলবে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, ইরান হরমুজ প্রণালিতে পেতে রাখা মাইন অপসারণ এবং জাহাজ চলাচলে অতিরিক্ত শুল্ক না নেওয়ার বিষয়ে সম্মত হতে পারে। বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত কিছু নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের চিন্তা করছে।

তবে ইরানের উচ্চসমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত অন্য দেশের কাছে হস্তান্তরের বিষয়ে এখনো কোনো সমঝোতা হয়নি। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরান এই ইস্যুতে আপাতত অনড় অবস্থানে রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সম্ভাব্য এই চুক্তি কার্যকর হলে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা কিছুটা কমতে পারে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

#ইরান_যুক্তরাষ্ট্র #হরমুজ_প্রণালি #মধ্যপ্রাচ্য_সংকট

চেকপোস্ট

রোববার, ২৪ মে ২০২৬


ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি ঘিরে বড় ইঙ্গিত, হরমুজ খুলে দেওয়ার আলোচনা

প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬

featured Image

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই সম্ভাব্য নতুন চুক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এ বিষয়ে ‘সুসংবাদ’ আসতে পারে। একইসঙ্গে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ থামাতে একটি সমঝোতা স্মারকের অধিকাংশ আলোচনা শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের তথ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য এই চুক্তিতে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি বাড়ানো, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং ইরানের তেল রপ্তানিতে বাধা কমানোর বিষয় থাকতে পারে। এছাড়া পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার বিষয়ে আলোচনাও চলবে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, ইরান হরমুজ প্রণালিতে পেতে রাখা মাইন অপসারণ এবং জাহাজ চলাচলে অতিরিক্ত শুল্ক না নেওয়ার বিষয়ে সম্মত হতে পারে। বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত কিছু নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের চিন্তা করছে।

তবে ইরানের উচ্চসমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত অন্য দেশের কাছে হস্তান্তরের বিষয়ে এখনো কোনো সমঝোতা হয়নি। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরান এই ইস্যুতে আপাতত অনড় অবস্থানে রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সম্ভাব্য এই চুক্তি কার্যকর হলে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা কিছুটা কমতে পারে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত