ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর সদরের থানা রোডে রাতের আঁধারে তালা ভেঙে একটি মোবাইল ফোনের দোকান থেকে ৭টি দামি স্মার্ট ফোন চুরি করে নিয়ে গেছে অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতকারীরা। ঘটনাটি ঘটেছে গত ৪ নভেম্বর রাতে। এ ঘটনায় পুরো নাসিরনগর এলাকায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আহমেদ (মঈন) (৪১) নাসিরনগর উপজেলার বুড়িশ্বর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে নাসিরনগর সদরে “ফোন বাজার” নামে মোবাইল ফোন বিক্রির ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। স্থানীয়দের কাছে তিনি একজন সহজ-সরল, সজ্জন ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো গত ৪ নভেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে তিনি দোকান ভালোভাবে তালাবদ্ধ করে নিজ বাসায় চলে যান। পরদিন ৫ নভেম্বর বুধবার সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে দোকান খুলতে এসে তিনি হতবাক হয়ে যান। দোকানের তালা জায়গায় নেই। দ্রুত ভিতরে প্রবেশ করে দেখেন, দোকানের শোকেস থেকে ৭টি নতুন স্মার্ট ফোন নেই।
চুরি যাওয়া ফোনগুলো হলো:
১. Infinix Smart 10 (3/64)
২. Infinix Hot 70 (6/128)
৩. Itel A300+ (6/128)
৪. Samsung A07 (4/64)
৫. Itel A300+ (6/128)
৬. Helio 95 (8/128)
৭. Honor X6C (6/128)
কান্নাজড়িত কণ্ঠে মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আহমেদ (মঈন) বলেন, সারাদিন কষ্ট করে ব্যবসা করি। রাতে দোকান বন্ধ করে বাসায় গেছি, সকালে এসে দেখি তালা ভেঙে সব ফোন নিয়ে গেছে। আমার অনেক টাকার ক্ষতি হয়ে গেল। আমি প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার চাই, চোরদের গ্রেপ্তার করে আমার ফোনগুলো উদ্ধার করে দেওয়ার দাবি জানাই।
এ ঘটনার পর নাসিরনগর সদরের অন্যান্য ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, সিসি ক্যামেরা ও নাইট গার্ডের সংকটের কারণে চোর চক্র বারবার সুযোগ নিচ্ছে। ব্যবসায়ীরা দ্রুত চোর চক্রকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার, চুরি যাওয়া ফোন উদ্ধার এবং বাজারে নিরাপত্তা জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মহিউদ্দিন আহমেদ (মঈন) অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতকারী চোর বা চোরদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এ বিষয়ে নাসিরনগর থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। দ্রুত চোর চক্রকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, পুলিশের তৎপরতায় দ্রুত চুরি যাওয়া ফোনগুলো উদ্ধার হবে এবং বাজারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার হবে, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো ব্যবসায়ীকে এমন ক্ষতির মুখে পড়তে না হয়।

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর সদরের থানা রোডে রাতের আঁধারে তালা ভেঙে একটি মোবাইল ফোনের দোকান থেকে ৭টি দামি স্মার্ট ফোন চুরি করে নিয়ে গেছে অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতকারীরা। ঘটনাটি ঘটেছে গত ৪ নভেম্বর রাতে। এ ঘটনায় পুরো নাসিরনগর এলাকায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আহমেদ (মঈন) (৪১) নাসিরনগর উপজেলার বুড়িশ্বর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে নাসিরনগর সদরে “ফোন বাজার” নামে মোবাইল ফোন বিক্রির ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। স্থানীয়দের কাছে তিনি একজন সহজ-সরল, সজ্জন ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো গত ৪ নভেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে তিনি দোকান ভালোভাবে তালাবদ্ধ করে নিজ বাসায় চলে যান। পরদিন ৫ নভেম্বর বুধবার সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে দোকান খুলতে এসে তিনি হতবাক হয়ে যান। দোকানের তালা জায়গায় নেই। দ্রুত ভিতরে প্রবেশ করে দেখেন, দোকানের শোকেস থেকে ৭টি নতুন স্মার্ট ফোন নেই।
চুরি যাওয়া ফোনগুলো হলো:
১. Infinix Smart 10 (3/64)
২. Infinix Hot 70 (6/128)
৩. Itel A300+ (6/128)
৪. Samsung A07 (4/64)
৫. Itel A300+ (6/128)
৬. Helio 95 (8/128)
৭. Honor X6C (6/128)
কান্নাজড়িত কণ্ঠে মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আহমেদ (মঈন) বলেন, সারাদিন কষ্ট করে ব্যবসা করি। রাতে দোকান বন্ধ করে বাসায় গেছি, সকালে এসে দেখি তালা ভেঙে সব ফোন নিয়ে গেছে। আমার অনেক টাকার ক্ষতি হয়ে গেল। আমি প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার চাই, চোরদের গ্রেপ্তার করে আমার ফোনগুলো উদ্ধার করে দেওয়ার দাবি জানাই।
এ ঘটনার পর নাসিরনগর সদরের অন্যান্য ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, সিসি ক্যামেরা ও নাইট গার্ডের সংকটের কারণে চোর চক্র বারবার সুযোগ নিচ্ছে। ব্যবসায়ীরা দ্রুত চোর চক্রকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার, চুরি যাওয়া ফোন উদ্ধার এবং বাজারে নিরাপত্তা জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মহিউদ্দিন আহমেদ (মঈন) অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতকারী চোর বা চোরদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এ বিষয়ে নাসিরনগর থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। দ্রুত চোর চক্রকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, পুলিশের তৎপরতায় দ্রুত চুরি যাওয়া ফোনগুলো উদ্ধার হবে এবং বাজারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার হবে, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো ব্যবসায়ীকে এমন ক্ষতির মুখে পড়তে না হয়।
