পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার আলোয়াখোয়া ইউনিয়নে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে এ উন্নয়নমূলক কাজের সূচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুহাম্মদ নওশাদ জমির। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রিপামণি দেবী। এছাড়াও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে সংসদ সদস্য বলেন, কৃষিনির্ভর এই অঞ্চলে পানির সঠিক ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খাল খননের ফলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা কমবে এবং শুষ্ক মৌসুমে কৃষকরা সহজে সেচ সুবিধা পাবেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপামণি দেবী প্রকল্পের দ্রুত ও স্বচ্ছ বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, এই উদ্যোগ স্থানীয় কৃষি অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, খাল খননের মাধ্যমে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন, কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা নিশ্চিত এবং খালের নাব্যতা ফিরিয়ে এনে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা সম্ভব হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিনের দাবির পর এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন হওয়ায় এলাকায় স্বস্তি ও আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার আলোয়াখোয়া ইউনিয়নে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে এ উন্নয়নমূলক কাজের সূচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুহাম্মদ নওশাদ জমির। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রিপামণি দেবী। এছাড়াও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে সংসদ সদস্য বলেন, কৃষিনির্ভর এই অঞ্চলে পানির সঠিক ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খাল খননের ফলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা কমবে এবং শুষ্ক মৌসুমে কৃষকরা সহজে সেচ সুবিধা পাবেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপামণি দেবী প্রকল্পের দ্রুত ও স্বচ্ছ বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, এই উদ্যোগ স্থানীয় কৃষি অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, খাল খননের মাধ্যমে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন, কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা নিশ্চিত এবং খালের নাব্যতা ফিরিয়ে এনে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা সম্ভব হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিনের দাবির পর এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন হওয়ায় এলাকায় স্বস্তি ও আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
