বাগেরহাটের চিতলমারীতে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জমির পাকা ধান জোরপূর্বক কেটে নেওয়া, চাঁদা দাবি, হামলা-ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন লিটন বড়াল।
বুধবার (তারিখ উল্লেখিত নয়) বাগেরহাট প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত প্রতুল কুমার বড়ালের একমাত্র সন্তান এবং পৈত্রিক জমির ফসল চাষাবাদ করেই জীবিকা নির্বাহ করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, চলতি মৌসুমে কুরমনি মৌজার ৫৬৩ দাগের ১৮৩ নম্বর খতিয়ানের জমিতে বোরো ধান চাষ করা হয়। গত ৬ মে চিতলমারী সদর ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মো. মনিরুল ইসলাম খানের বড় ভাই লতিফ খান ৭–৮ জন লোক নিয়ে ওই জমির পাকা ধান জোরপূর্বক কেটে নিয়ে যান।
লিটন বড়াল আরও অভিযোগ করেন, বাধা দিতে গেলে তাকে ও তার পরিবারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি পুড়িয়ে হত্যা ও মাটিতে পুঁতে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি জানান, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট বড় অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হয় এবং তা না দেওয়ায় বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও দোকান লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এছাড়া ২০২৫ সালের ২ আগস্ট তার মার্কেটে তালা লাগিয়ে জোরপূর্বক দখলের অভিযোগও করেন তিনি। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে তালা খুলে দেওয়া হলেও হুমকি অব্যাহত রয়েছে বলে দাবি করেন।
লিটন বড়াল বলেন, তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। একটি প্রভাবশালী চক্র তার সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করছে এবং প্রশাসনের কাছে একাধিকবার অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার পাননি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখলের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ সময় তার পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
বাগেরহাটের চিতলমারীতে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জমির পাকা ধান জোরপূর্বক কেটে নেওয়া, চাঁদা দাবি, হামলা-ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন লিটন বড়াল।
বুধবার (তারিখ উল্লেখিত নয়) বাগেরহাট প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত প্রতুল কুমার বড়ালের একমাত্র সন্তান এবং পৈত্রিক জমির ফসল চাষাবাদ করেই জীবিকা নির্বাহ করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, চলতি মৌসুমে কুরমনি মৌজার ৫৬৩ দাগের ১৮৩ নম্বর খতিয়ানের জমিতে বোরো ধান চাষ করা হয়। গত ৬ মে চিতলমারী সদর ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মো. মনিরুল ইসলাম খানের বড় ভাই লতিফ খান ৭–৮ জন লোক নিয়ে ওই জমির পাকা ধান জোরপূর্বক কেটে নিয়ে যান।
লিটন বড়াল আরও অভিযোগ করেন, বাধা দিতে গেলে তাকে ও তার পরিবারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি পুড়িয়ে হত্যা ও মাটিতে পুঁতে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি জানান, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট বড় অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হয় এবং তা না দেওয়ায় বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও দোকান লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এছাড়া ২০২৫ সালের ২ আগস্ট তার মার্কেটে তালা লাগিয়ে জোরপূর্বক দখলের অভিযোগও করেন তিনি। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে তালা খুলে দেওয়া হলেও হুমকি অব্যাহত রয়েছে বলে দাবি করেন।
লিটন বড়াল বলেন, তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। একটি প্রভাবশালী চক্র তার সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করছে এবং প্রশাসনের কাছে একাধিকবার অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার পাননি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখলের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ সময় তার পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
