সুনামগঞ্জে এক তরুণীকে অপহরণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মো. মইনুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে ৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৪ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্ত মইনুল ইসলাম সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার কাঠালপুর গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, সুনামগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হারিছুর রহমান চৌধুরী বিচার শেষে ১৬ জুলাই ২০২৫ এ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ের নথি অনুযায়ী, মামলার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামিকে চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও চার মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে আসামির সঙ্গে বাদীর বোনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিয়ের আশ্বাস দিয়ে যোগাযোগ বজায় রাখার একপর্যায়ে তরুণীকে বাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে ছাতক থানায় মামলা দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ, নথিপত্র এবং মামলার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে আদালত অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় এ রায় দেন।

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
সুনামগঞ্জে এক তরুণীকে অপহরণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মো. মইনুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে ৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৪ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্ত মইনুল ইসলাম সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার কাঠালপুর গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, সুনামগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হারিছুর রহমান চৌধুরী বিচার শেষে ১৬ জুলাই ২০২৫ এ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ের নথি অনুযায়ী, মামলার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামিকে চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও চার মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে আসামির সঙ্গে বাদীর বোনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিয়ের আশ্বাস দিয়ে যোগাযোগ বজায় রাখার একপর্যায়ে তরুণীকে বাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে ছাতক থানায় মামলা দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ, নথিপত্র এবং মামলার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে আদালত অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় এ রায় দেন।
