খুলনা মহানগরীর বয়রাস্থ বিভাগীয় পোস্টমাস্টার জেনারেল (পিএমজি) কার্যালয় সংলগ্ন আবাসিক এলাকায় অনুমতি ছাড়াই শতাধিক গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে এ ঘটনা ঘটে, যা নিয়ে এলাকায় ও পরিবেশবাদীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বন বিভাগের কোনো অনুমোদন ছাড়াই নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতেই মেহগনি ও অন্যান্য প্রজাতির গাছ কাটা হয়। কাটা গাছের সংখ্যা শতাধিক হতে পারে এবং এর আনুমানিক মূল্য প্রায় ১০ লাখ টাকার বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে কাটা গাছের স্তূপ ও কাঠ সরানোর দৃশ্যও দেখা গেছে।
খুলনার পোস্টমাস্টার জেনারেল কবির আহমেদ বলেন, তিনি শুধু এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তবে কর্মচারীরা সেই নির্দেশের অপব্যবহার করে কিছু গাছ কেটেছে বলে তিনি শুনেছেন। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে এপিএমজি (নিরাপত্তা) মো. সাইদুল আলম দাবি করেন, ঝড়ে পড়ে যাওয়া গাছ অপসারণ করতে গিয়ে কিছু ভালো গাছও কেটে ফেলা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগে পিএমজি নিজেই গাছ কেটে সরিয়েছেন, যার কারণে কর্মচারীদের মধ্যে গাছ কাটার প্রবণতা বেড়েছে। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বন বিভাগের অনুমতি ছাড়াই এভাবে গাছ কাটার ঘটনায় পরিবেশবিদ ও সচেতন মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যারা গাছ কেটেছেন তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, না হলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
খুলনা মহানগরীর বয়রাস্থ বিভাগীয় পোস্টমাস্টার জেনারেল (পিএমজি) কার্যালয় সংলগ্ন আবাসিক এলাকায় অনুমতি ছাড়াই শতাধিক গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে এ ঘটনা ঘটে, যা নিয়ে এলাকায় ও পরিবেশবাদীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বন বিভাগের কোনো অনুমোদন ছাড়াই নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতেই মেহগনি ও অন্যান্য প্রজাতির গাছ কাটা হয়। কাটা গাছের সংখ্যা শতাধিক হতে পারে এবং এর আনুমানিক মূল্য প্রায় ১০ লাখ টাকার বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে কাটা গাছের স্তূপ ও কাঠ সরানোর দৃশ্যও দেখা গেছে।
খুলনার পোস্টমাস্টার জেনারেল কবির আহমেদ বলেন, তিনি শুধু এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তবে কর্মচারীরা সেই নির্দেশের অপব্যবহার করে কিছু গাছ কেটেছে বলে তিনি শুনেছেন। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে এপিএমজি (নিরাপত্তা) মো. সাইদুল আলম দাবি করেন, ঝড়ে পড়ে যাওয়া গাছ অপসারণ করতে গিয়ে কিছু ভালো গাছও কেটে ফেলা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগে পিএমজি নিজেই গাছ কেটে সরিয়েছেন, যার কারণে কর্মচারীদের মধ্যে গাছ কাটার প্রবণতা বেড়েছে। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বন বিভাগের অনুমতি ছাড়াই এভাবে গাছ কাটার ঘটনায় পরিবেশবিদ ও সচেতন মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যারা গাছ কেটেছেন তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, না হলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
