সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

আরও

২ লাখ দিরহাম জরিমানা

অনলাইনে ফতোয়া ঠেকাতে আমিরাতে কঠোর পদক্ষেপ

অনলাইনে ফতোয়া ঠেকাতে আমিরাতে কঠোর পদক্ষেপ
সংযুক্ত আরব আমিরাত

অনুমোদন ছাড়া অনলাইনে ফতোয়া ও ধর্মীয় বিধান দেওয়ার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফতোয়া পরিষদ। একই সঙ্গে দেশটির জনগণকে স্বীকৃত জাতীয় ফতোয়া প্রতিষ্ঠান ও সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকেই ধর্মীয় নির্দেশনা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

পরিষদ জানিয়েছে, ব্যক্তিগত ফতোয়া প্রদানের লাইসেন্স ও অনুমোদনসংক্রান্ত বিধিমালা লঙ্ঘনকারী একাধিক অনলাইন প্ল্যাটফর্মকে সতর্ক করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় লাইসেন্স বা অনুমতিপত্র ছাড়া ফতোয়া ও ধর্মীয় বিধান দেওয়া বন্ধের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

২০২৪ সালের ফেডারেল আইন নং-৩ অনুযায়ী, এ ধরনের আইন লঙ্ঘনের জন্য সর্বোচ্চ ২ লাখ দিরহাম পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। একই অপরাধ পুনরায় ঘটলে জরিমানার পরিমাণ দ্বিগুণ হওয়ার বিধান রয়েছে।

কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, পরিষদ বা সংশ্লিষ্ট স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া মিডিয়া, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা অন্য কোনো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ফতোয়া দেওয়া আইনত নিষিদ্ধ।

এ ছাড়া সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে এমন ফতোয়া জারি এবং পরিষদ কর্তৃক জারি করা ফতোয়াকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ বা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশের বিষয়েও আইনি বিধিনিষেধ রয়েছে।

তবে কোন কোন প্ল্যাটফর্মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কিংবা সেখানে কী ধরনের ফতোয়া দেওয়া হচ্ছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানায়নি ফতোয়া পরিষদ। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিয়ম লঙ্ঘন করে ফতোয়া প্রকাশকারী প্রতিষ্ঠান বা ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেওয়ার ক্ষমতাও রয়েছে

এক বিবৃতিতে পরিষদ জানায়, অনলাইন ফতোয়া কার্যক্রমের ওপর নজরদারি ও অনুসরণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

পরিষদের ভাষ্য, এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো ফতোয়া ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা, আইন মেনে চলা নিশ্চিত করা, জাতীয় ধর্মীয় কর্তৃত্ব সুরক্ষিত রাখা এবং অনিয়ন্ত্রিত ফতোয়া চর্চা থেকে সমাজকে রক্ষা করা

দৈনন্দিন জীবনের ইবাদত, পারিবারিক বিষয়, আর্থিক লেনদেনসহ বিভিন্ন বিষয়ে ধর্মীয় দিকনির্দেশনার জন্য মুসলমানরা ফতোয়ার ওপর নির্ভর করে থাকেন। আমিরাতে সরকারি ওয়েবসাইট, সরাসরি পরামর্শ, অনলাইন আবেদন, ফোন সেবা এবং মসজিদ ও সেমিনারে আয়োজিত অধিবেশনের মাধ্যমে স্বীকৃত ধর্মীয় নির্দেশনা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।


#আমিরাত #ফতোয়া #অনলাইন_ফতোয়া

চেকপোস্ট

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬


অনলাইনে ফতোয়া ঠেকাতে আমিরাতে কঠোর পদক্ষেপ

প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

অনুমোদন ছাড়া অনলাইনে ফতোয়া ও ধর্মীয় বিধান দেওয়ার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফতোয়া পরিষদ। একই সঙ্গে দেশটির জনগণকে স্বীকৃত জাতীয় ফতোয়া প্রতিষ্ঠান ও সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকেই ধর্মীয় নির্দেশনা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

পরিষদ জানিয়েছে, ব্যক্তিগত ফতোয়া প্রদানের লাইসেন্স ও অনুমোদনসংক্রান্ত বিধিমালা লঙ্ঘনকারী একাধিক অনলাইন প্ল্যাটফর্মকে সতর্ক করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় লাইসেন্স বা অনুমতিপত্র ছাড়া ফতোয়া ও ধর্মীয় বিধান দেওয়া বন্ধের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

২০২৪ সালের ফেডারেল আইন নং-৩ অনুযায়ী, এ ধরনের আইন লঙ্ঘনের জন্য সর্বোচ্চ ২ লাখ দিরহাম পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। একই অপরাধ পুনরায় ঘটলে জরিমানার পরিমাণ দ্বিগুণ হওয়ার বিধান রয়েছে।

কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, পরিষদ বা সংশ্লিষ্ট স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া মিডিয়া, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা অন্য কোনো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ফতোয়া দেওয়া আইনত নিষিদ্ধ।

এ ছাড়া সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে এমন ফতোয়া জারি এবং পরিষদ কর্তৃক জারি করা ফতোয়াকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ বা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশের বিষয়েও আইনি বিধিনিষেধ রয়েছে।

তবে কোন কোন প্ল্যাটফর্মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কিংবা সেখানে কী ধরনের ফতোয়া দেওয়া হচ্ছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানায়নি ফতোয়া পরিষদ। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিয়ম লঙ্ঘন করে ফতোয়া প্রকাশকারী প্রতিষ্ঠান বা ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেওয়ার ক্ষমতাও রয়েছে

এক বিবৃতিতে পরিষদ জানায়, অনলাইন ফতোয়া কার্যক্রমের ওপর নজরদারি ও অনুসরণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

পরিষদের ভাষ্য, এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো ফতোয়া ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা, আইন মেনে চলা নিশ্চিত করা, জাতীয় ধর্মীয় কর্তৃত্ব সুরক্ষিত রাখা এবং অনিয়ন্ত্রিত ফতোয়া চর্চা থেকে সমাজকে রক্ষা করা

দৈনন্দিন জীবনের ইবাদত, পারিবারিক বিষয়, আর্থিক লেনদেনসহ বিভিন্ন বিষয়ে ধর্মীয় দিকনির্দেশনার জন্য মুসলমানরা ফতোয়ার ওপর নির্ভর করে থাকেন। আমিরাতে সরকারি ওয়েবসাইট, সরাসরি পরামর্শ, অনলাইন আবেদন, ফোন সেবা এবং মসজিদ ও সেমিনারে আয়োজিত অধিবেশনের মাধ্যমে স্বীকৃত ধর্মীয় নির্দেশনা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।



চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত