চেক পোস্ট

মূল পাতা

রাজনীতি

জামায়াতের পর এবার বড় শোডাউনের পরিকল্পনায় বিএনপি

প্রকাশ : ২১ জুলাই ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
জামায়াতের পর এবার বড় শোডাউনের পরিকল্পনায় বিএনপি

সাম্প্রতিক জামায়াতে ইসলামীর বড় সমাবেশের পর বিএনপি ঢাকায় পাল্টা কোনো কর্মসূচি দিচ্ছে না। দলটির শীর্ষ নেতারা মনে করছেন, পাল্টা সমাবেশে গেলে বিএনপির দুর্বলতা প্রকাশ পাবে এবং জামায়াতকে অপ্রত্যাশিত গুরুত্ব দেওয়া হবে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি এখন গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিকে কেন্দ্র করে ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এর সর্বশেষ কর্মসূচি হিসেবে আগামী ৬ আগস্ট ঢাকায় “বিজয় মিছিল” আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। দলটি এটিকে স্মরণকালের বৃহত্তম জনসমাগমে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছে, যা জামায়াত বা ইসলামী আন্দোলনের সমাবেশকেও ছাপিয়ে যাবে বলে দলটির আশা।

বিএনপির একাধিক শীর্ষ নেতার মতে, বর্তমান কর্মসূচির মাধ্যমে সরকার ও অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করাই তাদের লক্ষ্য। দলটি মনে করে, নির্বাচন নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে এবং কিছু মহল তা বিলম্বিত বা বানচাল করার ষড়যন্ত্র করছে। সাম্প্রতিক মিটফোর্ড হত্যাকাণ্ডকে তার প্রমাণ হিসেবে দেখছে বিএনপি।

জামায়াতের সমাবেশ নিয়ে বিএনপি কোনো প্রতিযোগিতা দেখতে চায় না। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, "জামায়াত শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ করেছে, এতে কোনো সমস্যা নেই। আমরা আমাদের কর্মসূচি নিয়ে মাঠে আছি।"

আগামী নির্বাচনে জামায়াতের সঙ্গে জোট না করার বিষয়টিও অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে গেছে। বিএনপি এবার ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনের’ মিত্রদের নিয়ে নির্বাচনী জোট গঠনের চিন্তায় রয়েছে। অন্যদিকে, জামায়াতসহ পিআর পদ্ধতি চাওয়া দলগুলো আলাদা জোট গঠনে তৎপর।

এদিকে, জুলাই-আগস্ট উপলক্ষে বিএনপির ধারাবাহিক কর্মসূচি চলমান রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আলোচনা সভা, পথনাটক, ডেঙ্গু ও করোনা প্রতিরোধ কর্মসূচি, শিশুদের নিয়ে অনুষ্ঠান এবং ৬ আগস্টের কেন্দ্রীয় বিজয় মিছিল।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, "সামনে আরও কর্মসূচি আছে। এরপর বিজয় মিছিলের প্রস্তুতি শুরু হবে।" ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুল জানান, বিজয় মিছিলকে কেন্দ্র করে একটি প্রস্তুতি সভা ডাকা হবে। তখনই কর্মসূচির বিস্তারিত নির্ধারণ করা হবে।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


জামায়াতের পর এবার বড় শোডাউনের পরিকল্পনায় বিএনপি

প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৫

featured Image

সাম্প্রতিক জামায়াতে ইসলামীর বড় সমাবেশের পর বিএনপি ঢাকায় পাল্টা কোনো কর্মসূচি দিচ্ছে না। দলটির শীর্ষ নেতারা মনে করছেন, পাল্টা সমাবেশে গেলে বিএনপির দুর্বলতা প্রকাশ পাবে এবং জামায়াতকে অপ্রত্যাশিত গুরুত্ব দেওয়া হবে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি এখন গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিকে কেন্দ্র করে ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এর সর্বশেষ কর্মসূচি হিসেবে আগামী ৬ আগস্ট ঢাকায় “বিজয় মিছিল” আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। দলটি এটিকে স্মরণকালের বৃহত্তম জনসমাগমে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছে, যা জামায়াত বা ইসলামী আন্দোলনের সমাবেশকেও ছাপিয়ে যাবে বলে দলটির আশা।

বিএনপির একাধিক শীর্ষ নেতার মতে, বর্তমান কর্মসূচির মাধ্যমে সরকার ও অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করাই তাদের লক্ষ্য। দলটি মনে করে, নির্বাচন নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে এবং কিছু মহল তা বিলম্বিত বা বানচাল করার ষড়যন্ত্র করছে। সাম্প্রতিক মিটফোর্ড হত্যাকাণ্ডকে তার প্রমাণ হিসেবে দেখছে বিএনপি।

জামায়াতের সমাবেশ নিয়ে বিএনপি কোনো প্রতিযোগিতা দেখতে চায় না। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, "জামায়াত শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ করেছে, এতে কোনো সমস্যা নেই। আমরা আমাদের কর্মসূচি নিয়ে মাঠে আছি।"

আগামী নির্বাচনে জামায়াতের সঙ্গে জোট না করার বিষয়টিও অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে গেছে। বিএনপি এবার ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনের’ মিত্রদের নিয়ে নির্বাচনী জোট গঠনের চিন্তায় রয়েছে। অন্যদিকে, জামায়াতসহ পিআর পদ্ধতি চাওয়া দলগুলো আলাদা জোট গঠনে তৎপর।

এদিকে, জুলাই-আগস্ট উপলক্ষে বিএনপির ধারাবাহিক কর্মসূচি চলমান রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আলোচনা সভা, পথনাটক, ডেঙ্গু ও করোনা প্রতিরোধ কর্মসূচি, শিশুদের নিয়ে অনুষ্ঠান এবং ৬ আগস্টের কেন্দ্রীয় বিজয় মিছিল।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, "সামনে আরও কর্মসূচি আছে। এরপর বিজয় মিছিলের প্রস্তুতি শুরু হবে।" ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুল জানান, বিজয় মিছিলকে কেন্দ্র করে একটি প্রস্তুতি সভা ডাকা হবে। তখনই কর্মসূচির বিস্তারিত নির্ধারণ করা হবে।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত