চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

খুলনার পাইকগাছায় প্রতিবন্ধীর জমি দখল ও প্রাচীর নির্মাণের অভিযোগ, শ্মশানে পাঠানোর হুমকি

প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
খুলনার পাইকগাছায় প্রতিবন্ধীর জমি দখল ও প্রাচীর নির্মাণের অভিযোগ, শ্মশানে পাঠানোর হুমকি

খুলনার পাইকগাছায় জমি পরিমাপ ছাড়াই এক প্রতিবন্ধীর জমি দখল করে প্রাচীর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, এমন অভিযোগ উঠেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত দল আওয়ামী লীগের সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

জিডি সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কপিলমুনি গ্রামের মৃত সাধন চন্দ্রের ছেলে অজয় কুমার দে এসএ ১৬২, বিএসআর ৯০ ও ৯২ দাগে খরিদ, দানপত্র এবং ওয়ারিশ সূত্রে ০.০৩৮ একর জমির মালিক। এর মধ্যে ০.১৩ একর জমি বিক্রি করে বাকি অংশ শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখলে আছেন।

প্রতিবন্ধী অজয় দে জানান, “সম্প্রতি আমাদের জমিতে মাটি ও বালু ভরাট করে উঁচু করায় জমির মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে পার্শ্ববর্তী এসএ ১৭৮, ডিপি ৯১ দাগের মালিক-মৃত অজিত অধিকারীর ছেলে উত্তম অধিকারী ও বাসুদাম অধিকারী গংদের নজর পড়ে। তারা জমির সীমানা মাপ না করেই আমার জমির অংশ দখল করে প্রাচীর নির্মাণের চেষ্টা চালায়। বাধা দিলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে খুনজখম ও শ্মশানে পাঠানোর হুমকি দেয়।”

তিনি আরও বলেন, “উপায় না পেয়ে কপিলমুনি পুলিশ ফাঁড়ি ও পাইকগাছা থানায় জিডি করেছি (জিডি নং-৩৩১)। এর আগে ২০২২ সালের ১১ নভেম্বর উত্তম অধিকারী, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সুজিদ অধিকারীর আত্মীয় পরিচয়ে, আদালতের দেওয়া ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে আমাদের বাড়িঘর ভাঙচুর ও মারধর করেছিল। এখনো অদৃশ্য কারণে ক্ষমতার জোরে আমার জমি দখলের চেষ্টা চলছে।”

অভিযুক্ত উত্তম অধিকারী জানান, “পুকুর ভরাটের কারণে আমার বাড়ির একপাশ অরক্ষিত হয়ে পড়ায় প্রাচীর নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছি। অজয় দে ফাঁড়িতে অভিযোগ দিলে কাজ বন্ধ রেখেছি। সময় সুযোগ বুঝে প্রাচীর নির্মাণ করব।”

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


খুলনার পাইকগাছায় প্রতিবন্ধীর জমি দখল ও প্রাচীর নির্মাণের অভিযোগ, শ্মশানে পাঠানোর হুমকি

প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৫

featured Image

খুলনার পাইকগাছায় জমি পরিমাপ ছাড়াই এক প্রতিবন্ধীর জমি দখল করে প্রাচীর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, এমন অভিযোগ উঠেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত দল আওয়ামী লীগের সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

জিডি সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কপিলমুনি গ্রামের মৃত সাধন চন্দ্রের ছেলে অজয় কুমার দে এসএ ১৬২, বিএসআর ৯০ ও ৯২ দাগে খরিদ, দানপত্র এবং ওয়ারিশ সূত্রে ০.০৩৮ একর জমির মালিক। এর মধ্যে ০.১৩ একর জমি বিক্রি করে বাকি অংশ শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখলে আছেন।

প্রতিবন্ধী অজয় দে জানান, “সম্প্রতি আমাদের জমিতে মাটি ও বালু ভরাট করে উঁচু করায় জমির মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে পার্শ্ববর্তী এসএ ১৭৮, ডিপি ৯১ দাগের মালিক-মৃত অজিত অধিকারীর ছেলে উত্তম অধিকারী ও বাসুদাম অধিকারী গংদের নজর পড়ে। তারা জমির সীমানা মাপ না করেই আমার জমির অংশ দখল করে প্রাচীর নির্মাণের চেষ্টা চালায়। বাধা দিলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে খুনজখম ও শ্মশানে পাঠানোর হুমকি দেয়।”

তিনি আরও বলেন, “উপায় না পেয়ে কপিলমুনি পুলিশ ফাঁড়ি ও পাইকগাছা থানায় জিডি করেছি (জিডি নং-৩৩১)। এর আগে ২০২২ সালের ১১ নভেম্বর উত্তম অধিকারী, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সুজিদ অধিকারীর আত্মীয় পরিচয়ে, আদালতের দেওয়া ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে আমাদের বাড়িঘর ভাঙচুর ও মারধর করেছিল। এখনো অদৃশ্য কারণে ক্ষমতার জোরে আমার জমি দখলের চেষ্টা চলছে।”

অভিযুক্ত উত্তম অধিকারী জানান, “পুকুর ভরাটের কারণে আমার বাড়ির একপাশ অরক্ষিত হয়ে পড়ায় প্রাচীর নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছি। অজয় দে ফাঁড়িতে অভিযোগ দিলে কাজ বন্ধ রেখেছি। সময় সুযোগ বুঝে প্রাচীর নির্মাণ করব।”


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত