নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী বলেছেন, “মানবিক করিডর বা বন্দর লিজ নয়, এখন সময় দেশের রাজনৈতিক কাঠামোর সংস্কার নিয়ে ভাবার। দ্রুত সংস্কার করে নিবন্ধনবিহীন রাজনৈতিক দলগুলোকে স্বীকৃতি দিন এবং সহিংসতামুক্ত নির্বাচনের পথ তৈরি করুন।”
রবিবার (১৯ মে) বিকেলে রাজধানীর তোপখানা রোডস্থ বিজয় মিলনায়তনে ‘মানবিক করিডর বা বন্দর লিজ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন এনডিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য গাজী মনসুর, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, ভাইস চেয়ারম্যান ডা. নূরজাহান নীরা, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব নিপুন মিস্ত্রী, যুগ্ম মহাসচিব মনির জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াজেদ রানা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আল-আমিন বৈরাগী, বিথী হাওলাদার, আবু বকর সিদ্দিক রতন, রুবেল আখন্দ, আফতাব মণ্ডল, সাইফুল হক রহমান ও অরবিন্দ দেবনাথ প্রমুখ।
মোমিন মেহেদী বলেন, “ছাত্রদের সরকার খ্যাত বর্তমান সরকার আজ জনগণের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করেছে। সরকারের উপদেষ্টারা একের পর এক জনবিরোধী সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। নির্বাচিত সরকার না হয়েও বন্দর বা করিডর লিজের মতো সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রমাণ করে তারা গণতন্ত্র থেকে সরে যাচ্ছে।”

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৫
নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী বলেছেন, “মানবিক করিডর বা বন্দর লিজ নয়, এখন সময় দেশের রাজনৈতিক কাঠামোর সংস্কার নিয়ে ভাবার। দ্রুত সংস্কার করে নিবন্ধনবিহীন রাজনৈতিক দলগুলোকে স্বীকৃতি দিন এবং সহিংসতামুক্ত নির্বাচনের পথ তৈরি করুন।”
রবিবার (১৯ মে) বিকেলে রাজধানীর তোপখানা রোডস্থ বিজয় মিলনায়তনে ‘মানবিক করিডর বা বন্দর লিজ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন এনডিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য গাজী মনসুর, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, ভাইস চেয়ারম্যান ডা. নূরজাহান নীরা, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব নিপুন মিস্ত্রী, যুগ্ম মহাসচিব মনির জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াজেদ রানা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আল-আমিন বৈরাগী, বিথী হাওলাদার, আবু বকর সিদ্দিক রতন, রুবেল আখন্দ, আফতাব মণ্ডল, সাইফুল হক রহমান ও অরবিন্দ দেবনাথ প্রমুখ।
মোমিন মেহেদী বলেন, “ছাত্রদের সরকার খ্যাত বর্তমান সরকার আজ জনগণের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করেছে। সরকারের উপদেষ্টারা একের পর এক জনবিরোধী সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। নির্বাচিত সরকার না হয়েও বন্দর বা করিডর লিজের মতো সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রমাণ করে তারা গণতন্ত্র থেকে সরে যাচ্ছে।”
