ভাষাসৈনিক, কবি ও রবীন্দ্রবিশেষজ্ঞ আহমদ রফিকের মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি রাজধানীর বারডেম হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
এক শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আহমদ রফিক ছিলেন ভাষা আন্দোলনের এক অগ্রগণ্য সাক্ষী ও সংগ্রামী কণ্ঠস্বর। তিনি অনন্যসাধারণ কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক এবং রবীন্দ্রচর্চার অগ্রদূত ছিলেন। শতাধিক গ্রন্থ রচনা ও সম্পাদনার মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করেছেন। কলকাতার টেগর রিসার্চ ইনস্টিটিউট তাঁকে ‘রবীন্দ্রতত্ত্বাচার্য’ উপাধি দিয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, দেশের সংস্কৃতি ও মুক্তচিন্তার জগতে আহমদ রফিকের প্রয়াণ এক অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর জীবন ও কর্ম ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। শোকসন্তপ্ত পরিবার, শুভানুধ্যায়ী ও সাহিত্য-সংস্কৃতিপ্রেমীদের প্রতি তিনি সমবেদনা জানান।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৫
ভাষাসৈনিক, কবি ও রবীন্দ্রবিশেষজ্ঞ আহমদ রফিকের মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি রাজধানীর বারডেম হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
এক শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আহমদ রফিক ছিলেন ভাষা আন্দোলনের এক অগ্রগণ্য সাক্ষী ও সংগ্রামী কণ্ঠস্বর। তিনি অনন্যসাধারণ কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক এবং রবীন্দ্রচর্চার অগ্রদূত ছিলেন। শতাধিক গ্রন্থ রচনা ও সম্পাদনার মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করেছেন। কলকাতার টেগর রিসার্চ ইনস্টিটিউট তাঁকে ‘রবীন্দ্রতত্ত্বাচার্য’ উপাধি দিয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, দেশের সংস্কৃতি ও মুক্তচিন্তার জগতে আহমদ রফিকের প্রয়াণ এক অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর জীবন ও কর্ম ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। শোকসন্তপ্ত পরিবার, শুভানুধ্যায়ী ও সাহিত্য-সংস্কৃতিপ্রেমীদের প্রতি তিনি সমবেদনা জানান।
