সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

প্রশ্নে মেজাজ হারালেন সিভিল সার্জন

“মিথ্যা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার” লেখা চিঠি ঘিরে তোলপাড়

“মিথ্যা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার” লেখা চিঠি ঘিরে তোলপাড়
ছবি: চেকপোস্ট

খুলনার সিভিল সার্জন দপ্তরে টিকাদানে অনিয়ম, দাপ্তরিক চিঠিতে গুরুতর টাইপিং ভুল এবং বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স নবায়নে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, সম্প্রতি দপ্তর থেকে ইস্যুকৃত একটি চিঠির শুরুতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার লেখার আগে ভুলবশত মিথ্যা শব্দটি যুক্ত হয়ে যায়। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

এদিকে টিকাদান কর্মসূচিতে বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগও উঠেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) একটি প্রতিনিধি দল বটিয়াঘাটা উপজেলার ইপিআই স্টোর পরিদর্শনে গিয়ে স্টক রেজিস্ট্রারে একাধিক অসঙ্গতি খুঁজে পায় বলে জানা যায়। প্রায় দুই মাস ধরে স্টক রেজিস্ট্রার হালনাগাদ না থাকা, ভায়াল ব্যবহারের হিসাবের গড়মিল এবং হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনের তথ্যেও অসংগতি পাওয়া যায়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, কোভিড-১৯ টিকাদানে ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের বিষয়ও উঠে এসেছে। যদিও সংশ্লিষ্ট মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ইপিআই) এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কিছু তথ্য আপডেট না হওয়ায় ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে এবং টিকাদান কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবেই সম্পন্ন হয়েছে।

অন্যদিকে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স নবায়নে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগও উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, অফিস খরচ নামে ৩০–৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়, যা না দিলে লাইসেন্স নবায়নে জটিলতা তৈরি করা হয়।

এ ঘটনায় দপ্তর থেকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। অন্যথায় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে খুলনার সিভিল সার্জন ডা. মোছাঃ মাহফুজা খাতুন বলেন, চিঠিতে মিথ্যা শব্দটি টাইপিং ভুল ছিল। টিকাদানে অনিয়মের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে শোকজ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং কেউ তার নাম ব্যবহার করে অপকর্ম করতে পারে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, দপ্তরের অভ্যন্তরীণ চিঠি কীভাবে দ্রুত গণমাধ্যমে চলে গেল, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

#খুলনা_সংবাদ #দুর্নীতি_অভিযোগ #সিভিল_সার্জন

চেকপোস্ট

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬


“মিথ্যা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার” লেখা চিঠি ঘিরে তোলপাড়

প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬

featured Image

খুলনার সিভিল সার্জন দপ্তরে টিকাদানে অনিয়ম, দাপ্তরিক চিঠিতে গুরুতর টাইপিং ভুল এবং বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স নবায়নে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, সম্প্রতি দপ্তর থেকে ইস্যুকৃত একটি চিঠির শুরুতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার লেখার আগে ভুলবশত মিথ্যা শব্দটি যুক্ত হয়ে যায়। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

এদিকে টিকাদান কর্মসূচিতে বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগও উঠেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) একটি প্রতিনিধি দল বটিয়াঘাটা উপজেলার ইপিআই স্টোর পরিদর্শনে গিয়ে স্টক রেজিস্ট্রারে একাধিক অসঙ্গতি খুঁজে পায় বলে জানা যায়। প্রায় দুই মাস ধরে স্টক রেজিস্ট্রার হালনাগাদ না থাকা, ভায়াল ব্যবহারের হিসাবের গড়মিল এবং হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনের তথ্যেও অসংগতি পাওয়া যায়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, কোভিড-১৯ টিকাদানে ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের বিষয়ও উঠে এসেছে। যদিও সংশ্লিষ্ট মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ইপিআই) এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কিছু তথ্য আপডেট না হওয়ায় ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে এবং টিকাদান কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবেই সম্পন্ন হয়েছে।

অন্যদিকে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স নবায়নে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগও উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, অফিস খরচ নামে ৩০–৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়, যা না দিলে লাইসেন্স নবায়নে জটিলতা তৈরি করা হয়।

এ ঘটনায় দপ্তর থেকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। অন্যথায় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে খুলনার সিভিল সার্জন ডা. মোছাঃ মাহফুজা খাতুন বলেন, চিঠিতে মিথ্যা শব্দটি টাইপিং ভুল ছিল। টিকাদানে অনিয়মের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে শোকজ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং কেউ তার নাম ব্যবহার করে অপকর্ম করতে পারে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, দপ্তরের অভ্যন্তরীণ চিঠি কীভাবে দ্রুত গণমাধ্যমে চলে গেল, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত