আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে দীর্ঘ অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে খেলার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। তবে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর কাছে ১০ দফা শর্ত দিয়েছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন।
শনিবার (৯ মে) এক বিবৃতিতে ইরানিয়ান ফুটবল ফেডারেশন জানায়,
“আমরা ২০২৬ বিশ্বকাপে অবশ্যই অংশ নেবো। তবে আয়োজকদের আমাদের উদ্বেগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।”
ফেডারেশন আরও জানায়, নিজেদের বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও জাতীয় অবস্থান থেকে কোনোভাবেই সরে আসবে না ইরান।
এর আগে গত মাসে ফিফা কংগ্রেসে অংশ নিতে গিয়ে কানাডায় প্রবেশে বাধার মুখে পড়েন ইরান ফুটবল ফেডারেশনের প্রধান। এরপর থেকেই বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।
ইরানিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মাহদি তাজ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে জানান, বিশ্বকাপে অংশ নিতে তারা ১০টি শর্ত দিয়েছে। এসব শর্তের মধ্যে রয়েছে— খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের সহজে ভিসা প্রদান, জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সংগীতের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং বিমানবন্দর, হোটেল ও স্টেডিয়ামে যাতায়াতের সময় কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
তিনি আরও বলেন,
“যেসব খেলোয়াড় বা স্টাফ অতীতে আইআরজিসিতে সামরিক দায়িত্ব পালন করেছেন, তাদেরও যেন কোনো জটিলতা ছাড়াই ভিসা দেওয়া হয়।”
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ইরানের ফুটবলারদের বিশ্বকাপে স্বাগত জানানো হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী সংগঠন আইআরজিসির সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রতিনিধিদলের সদস্যদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।
উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর ইরানের বিশ্বকাপ অংশগ্রহণ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তবে সব অনিশ্চয়তা কাটিয়ে এখন বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে মনোযোগ দিচ্ছে দেশটি।
গ্রুপ ‘জি’-তে ইরানের প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড, বেলজিয়াম ও মিসর। আগামী ১৫ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে ইরান।

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে দীর্ঘ অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে খেলার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। তবে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর কাছে ১০ দফা শর্ত দিয়েছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন।
শনিবার (৯ মে) এক বিবৃতিতে ইরানিয়ান ফুটবল ফেডারেশন জানায়,
“আমরা ২০২৬ বিশ্বকাপে অবশ্যই অংশ নেবো। তবে আয়োজকদের আমাদের উদ্বেগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।”
ফেডারেশন আরও জানায়, নিজেদের বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও জাতীয় অবস্থান থেকে কোনোভাবেই সরে আসবে না ইরান।
এর আগে গত মাসে ফিফা কংগ্রেসে অংশ নিতে গিয়ে কানাডায় প্রবেশে বাধার মুখে পড়েন ইরান ফুটবল ফেডারেশনের প্রধান। এরপর থেকেই বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।
ইরানিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মাহদি তাজ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে জানান, বিশ্বকাপে অংশ নিতে তারা ১০টি শর্ত দিয়েছে। এসব শর্তের মধ্যে রয়েছে— খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের সহজে ভিসা প্রদান, জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সংগীতের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং বিমানবন্দর, হোটেল ও স্টেডিয়ামে যাতায়াতের সময় কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
তিনি আরও বলেন,
“যেসব খেলোয়াড় বা স্টাফ অতীতে আইআরজিসিতে সামরিক দায়িত্ব পালন করেছেন, তাদেরও যেন কোনো জটিলতা ছাড়াই ভিসা দেওয়া হয়।”
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ইরানের ফুটবলারদের বিশ্বকাপে স্বাগত জানানো হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী সংগঠন আইআরজিসির সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রতিনিধিদলের সদস্যদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।
উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর ইরানের বিশ্বকাপ অংশগ্রহণ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তবে সব অনিশ্চয়তা কাটিয়ে এখন বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে মনোযোগ দিচ্ছে দেশটি।
গ্রুপ ‘জি’-তে ইরানের প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড, বেলজিয়াম ও মিসর। আগামী ১৫ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে ইরান।
