রোববার, ০৭ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

বিশ্ব

যুব আন্দোলনে উত্তাল দিল্লি

হিন্দু-মুসলমান বিভেদের রাজনীতি বন্ধের আহ্বান অভিজিতের

হিন্দু-মুসলমান বিভেদের রাজনীতি বন্ধের আহ্বান অভিজিতের
জনতা পার্টির নেতা অভিজিৎ দিপকে। ছবি : সংগৃহীত

ধর্মের নামে হিন্দু ও মুসলমানের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করার রাজনীতি বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে।

শনিবার (৬ জুন) দিল্লির যন্তর মন্তরে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-এর বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, গত ১২ বছরে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি সাধারণ মানুষের কোনো উপকারে আসেনি, বরং যুবসমাজের জন্য চাকরি ও সুযোগ তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে।

সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অভিজিৎ দিপকে ব্যক্তিগত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশে সরকারের সমালোচনা করলে ভয় ও নিরাপত্তাহীনতার পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যা প্রতিটি পরিবারের মধ্যেই আতঙ্ক ছড়িয়ে দিচ্ছে।

এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ভারতের প্রধান বিচারপতির একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে, যেখানে তিনি তরুণদের উদ্দেশে বিতর্কিত শব্দ ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এরপরই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ায় অভিজিৎ দিপকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ নামে একটি আন্দোলন শুরু করেন এবং পরে সরাসরি রাজপথে নামেন।

দিল্লির এই কর্মসূচিতে হাজার হাজার তরুণ ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন। আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব।

বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারাও এই আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানান এবং সরকারের নীতি ও শিক্ষা ব্যবস্থার সমালোচনা করেন।

#ধর্মীয়_রাজনীতি #অভিজিৎ_দিপকে #দিল্লি_প্রতিবাদ

চেকপোস্ট

রোববার, ০৭ জুন ২০২৬


হিন্দু-মুসলমান বিভেদের রাজনীতি বন্ধের আহ্বান অভিজিতের

প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬

featured Image

ধর্মের নামে হিন্দু ও মুসলমানের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করার রাজনীতি বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে।

শনিবার (৬ জুন) দিল্লির যন্তর মন্তরে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-এর বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, গত ১২ বছরে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি সাধারণ মানুষের কোনো উপকারে আসেনি, বরং যুবসমাজের জন্য চাকরি ও সুযোগ তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে।

সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অভিজিৎ দিপকে ব্যক্তিগত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশে সরকারের সমালোচনা করলে ভয় ও নিরাপত্তাহীনতার পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যা প্রতিটি পরিবারের মধ্যেই আতঙ্ক ছড়িয়ে দিচ্ছে।

এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ভারতের প্রধান বিচারপতির একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে, যেখানে তিনি তরুণদের উদ্দেশে বিতর্কিত শব্দ ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এরপরই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ায় অভিজিৎ দিপকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ নামে একটি আন্দোলন শুরু করেন এবং পরে সরাসরি রাজপথে নামেন।

দিল্লির এই কর্মসূচিতে হাজার হাজার তরুণ ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন। আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব।

বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারাও এই আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানান এবং সরকারের নীতি ও শিক্ষা ব্যবস্থার সমালোচনা করেন।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত