বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

হরিণের মাংস জব্দের পর ঘুষ কাণ্ডে তোলপাড়

হরিণের মাংসসহ আটক, ঘুষ নিয়ে ছাড়ার অভিযোগে দুই পুলিশ প্রত্যাহার

হরিণের মাংসসহ আটক, ঘুষ নিয়ে ছাড়ার অভিযোগে দুই পুলিশ প্রত্যাহার
ছবি : চেকপোস্ট

খুলনার ডুমুরিয়ায় ১৫ কেজি হরিণের মাংসসহ এক ব্যক্তিকে আটকের পর ৭০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে। অভিযোগের পর অভিযুক্ত দুই কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

রোববার খুলনা জেলা পুলিশ সুপার তাজুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১২ মে দুপুরে ডুমুরিয়ার মাদারতলা এলাকার টাওয়ার সংলগ্ন স্থান থেকে সুফল মন্ডল (২৮) নামে এক ব্যক্তিকে ১৫ কেজি হরিণের মাংসসহ আটক করেন মাদারতলা ফাঁড়ির দুই কনস্টেবল। অভিযুক্তরা হলেন কনস্টেবল মো. মাইনুল ইসলাম ও মো. মুছাব্বির হোসেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনো কর্মকর্তার উপস্থিতি ছাড়াই মামলার ভয় দেখিয়ে সুফলের কাছ থেকে নগদ ৭০ হাজার টাকা নেওয়া হয় এবং পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে জব্দ করা মাংস ভাগবাটোয়ারার অভিযোগও ওঠে।

ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। পরে চাপের মুখে পড়ে অভিযুক্ত দুই কনস্টেবল গত শুক্রবার রাতে সুফলের পরিবারকে ৪০ হাজার টাকা ফেরত দেন বলে জানিয়েছেন সুফলের কাকা প্রকাশ মন্ডল। আরও ১০ হাজার টাকা ফেরত দেওয়ার কথাও ছিল বলে দাবি করেন তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ফাঁড়ির কয়েকজন পুলিশ সদস্যও ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে মাদারতলা ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই নাজির হোসেন বলেন, ঘটনার বিষয়ে আগে কিছু জানতেন না, পরে বিষয়টি থানার তদন্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করেন।

ডুমুরিয়া থানার ওসি তদন্ত আছের আলী জানান, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে। তিনি বলেন, “অপরাধ তো অপরাধই।”

খুলনা জেলা পুলিশ সুপার তাজুল ইসলাম জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুই পুলিশ সদস্যকে সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করে খুলনা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

#খুলনা #ডুমুরিয়া #পুলিশঅভিযোগ

চেকপোস্ট

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬


হরিণের মাংসসহ আটক, ঘুষ নিয়ে ছাড়ার অভিযোগে দুই পুলিশ প্রত্যাহার

প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬

featured Image

খুলনার ডুমুরিয়ায় ১৫ কেজি হরিণের মাংসসহ এক ব্যক্তিকে আটকের পর ৭০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের দুই সদস্যের বিরুদ্ধে। অভিযোগের পর অভিযুক্ত দুই কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

রোববার খুলনা জেলা পুলিশ সুপার তাজুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১২ মে দুপুরে ডুমুরিয়ার মাদারতলা এলাকার টাওয়ার সংলগ্ন স্থান থেকে সুফল মন্ডল (২৮) নামে এক ব্যক্তিকে ১৫ কেজি হরিণের মাংসসহ আটক করেন মাদারতলা ফাঁড়ির দুই কনস্টেবল। অভিযুক্তরা হলেন কনস্টেবল মো. মাইনুল ইসলাম ও মো. মুছাব্বির হোসেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনো কর্মকর্তার উপস্থিতি ছাড়াই মামলার ভয় দেখিয়ে সুফলের কাছ থেকে নগদ ৭০ হাজার টাকা নেওয়া হয় এবং পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে জব্দ করা মাংস ভাগবাটোয়ারার অভিযোগও ওঠে।

ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। পরে চাপের মুখে পড়ে অভিযুক্ত দুই কনস্টেবল গত শুক্রবার রাতে সুফলের পরিবারকে ৪০ হাজার টাকা ফেরত দেন বলে জানিয়েছেন সুফলের কাকা প্রকাশ মন্ডল। আরও ১০ হাজার টাকা ফেরত দেওয়ার কথাও ছিল বলে দাবি করেন তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ফাঁড়ির কয়েকজন পুলিশ সদস্যও ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে মাদারতলা ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই নাজির হোসেন বলেন, ঘটনার বিষয়ে আগে কিছু জানতেন না, পরে বিষয়টি থানার তদন্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করেন।

ডুমুরিয়া থানার ওসি তদন্ত আছের আলী জানান, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে। তিনি বলেন, “অপরাধ তো অপরাধই।”

খুলনা জেলা পুলিশ সুপার তাজুল ইসলাম জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুই পুলিশ সদস্যকে সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করে খুলনা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত