শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

বিশ্ব

সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: শুধু চুমুর কারণে?

সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: শুধু চুমুর কারণে?
ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা চলছে। তাঁদের কি শুধু চুমু খাওয়ার কারণে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, নাকি অভিযোগ ছিল আরও গুরুতর? ঘটনাটি কীভাবে প্রকাশ্যে আসে, কী বলেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া দাবিগুলোর কতটুকু সত্য-এসব প্রশ্ন সামনে এসেছে।

প্রচারিত তথ্য অনুযায়ী, গত ১৪ অক্টোবর ২০২৬ সৌদি আরবের মক্কায় নজরুল ইসলাম আব্দুল বশির ও সুইটি আক্তার নামের দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে একটি মসজিদের ভেতরে অনৈতিক ও অশালীন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।

তবে ঘটনাটি নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারিত তথ্যের সঙ্গে সরকারি বিবৃতির কিছু পার্থক্য রয়েছে বলে উল্লেখ করা হচ্ছে। বিষয়টি বুঝতে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর তুলে ধরা হলো।


১. ঘটনা কি মসজিদের ভেতরে, নাকি প্রাঙ্গণে ঘটেছিল?

সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ঘটনাটি একটি মসজিদের ভেতরে ঘটেছিল। তবে মসজিদটির নাম বা সুনির্দিষ্ট অবস্থান প্রকাশ করা হয়নি। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ‘মসজিদ প্রাঙ্গণে ঘটনা’ দাবির সঙ্গে সরকারি বিবৃতির ভাষার পার্থক্য রয়েছে। 


২. তাঁরা কি শুধু চুমু খেয়েছিলেন, নাকি অভিযোগ ছিল ব্যভিচারের?

শুধু চুমু খাওয়ার কারণে তাঁদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল, এমন তথ্যের পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘটনাটিকে মসজিদের ভেতরে ‘অনৈতিক কর্মকাণ্ড’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশি কনস্যুলেটের শ্রম কল্যাণ উইংয়ের পাঠানো তথ্যের বরাতে সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যভিচারের অভিযোগ ছিল।

তবে সৌদি কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত বিবৃতিতে ঠিক কী ধরনের কর্মকাণ্ড ঘটেছিল, তার বিস্তারিত বিবরণ নেই। ফলে চুমু, শারীরিক সম্পর্ক কিংবা অন্য কোনো নির্দিষ্ট কর্মকাণ্ড সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে দাবি করা ঠিক হবে না। 

৩. সৌদি কর্তৃপক্ষ কীভাবে ঘটনাটি জানতে পেরেছিল?

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী ওই দুজনকে আটক করে। তদন্তের পর তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় এবং মামলাটি আদালতে পাঠানো হয়। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে রায় বহাল থাকে এবং তা কার্যকরের জন্য রাজকীয় আদেশ জারি করা হয়।

তবে তাঁদের সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়েছিল, নাকি নিরাপত্তাকর্মীদের সরাসরি নজরে পড়েছিলেন, এ বিষয়ে সরকারি বিবৃতিতে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই। 

৪. কোনো পাকিস্তানি নাগরিক কি ঘটনাটি ভিডিও করেছিলেন?

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৃতীয় কোনো দেশের নাগরিকের ভিডিও ধারণ করে কর্তৃপক্ষকে জানানোর দাবি প্রচারিত হলেও, নির্ভরযোগ্য সংবাদ প্রতিবেদন ও প্রকাশিত সরকারি বিবৃতিতে এর সমর্থনে তথ্য পাওয়া যায়নি।

সুতরাং, কোনো পাকিস্তানি নাগরিক ভিডিও ধারণ করেছিলেন বা সেই ভিডিওর ভিত্তিতেই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, এমন দাবিকে আপাতত অযাচাইকৃত তথ্য হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

৫. সৌদি আরবে কি শুধু বিদেশিদেরই মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়?

না। সৌদি আরবে দেশটির নাগরিকদের পাশাপাশি বিদেশি নাগরিকদেরও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। তবে গত এক দশকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে সৌদি নাগরিকেরাই ৫৫ থেকে ৬০ শতাংশ-এমন দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান নিশ্চিত করা যায়নি।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত সৌদি আরবে নথিভুক্ত ১ হাজার ৮১৬টি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সংস্থাটির হিসাবে, ওই সময়ে মাদকসংক্রান্ত অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের প্রায় ৭৫ শতাংশই ছিলেন বিদেশি নাগরিক। 

বাংলাদেশের কাছে কী তথ্য চেয়েছে সৌদি আরব?

ঘটনাটি নিয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ১৮ অক্টোবর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূতের কাছে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চেয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটকে আগে থেকে এ বিষয়ে জানানো হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। 

শেষ কথা

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনাটি শুধু চুমু খাওয়ার কারণে ঘটেছে, এমন দাবি প্রমাণিত নয়। সৌদি কর্তৃপক্ষ তাঁদের বিরুদ্ধে মসজিদের ভেতরে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে আদালতের রায়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কথা জানিয়েছে। বাংলাদেশের কনস্যুলেটের মাধ্যমে পাওয়া তথ্যের বরাতে অভিযোগটি ব্যভিচার হিসেবে উল্লেখ করা হলেও, ঘটনার পূর্ণ বিবরণ এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।

তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া দাবি ও অনুমানের পরিবর্তে সৌদি কর্তৃপক্ষের পূর্ণাঙ্গ নথি এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের ভিত্তিতেই ঘটনার চূড়ান্ত মূল্যায়ন করা উচিত।

চেকপোস্ট

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬


সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: শুধু চুমুর কারণে?

প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা চলছে। তাঁদের কি শুধু চুমু খাওয়ার কারণে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, নাকি অভিযোগ ছিল আরও গুরুতর? ঘটনাটি কীভাবে প্রকাশ্যে আসে, কী বলেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া দাবিগুলোর কতটুকু সত্য-এসব প্রশ্ন সামনে এসেছে।

প্রচারিত তথ্য অনুযায়ী, গত ১৪ অক্টোবর ২০২৬ সৌদি আরবের মক্কায় নজরুল ইসলাম আব্দুল বশির ও সুইটি আক্তার নামের দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে একটি মসজিদের ভেতরে অনৈতিক ও অশালীন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।

তবে ঘটনাটি নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারিত তথ্যের সঙ্গে সরকারি বিবৃতির কিছু পার্থক্য রয়েছে বলে উল্লেখ করা হচ্ছে। বিষয়টি বুঝতে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর তুলে ধরা হলো।


১. ঘটনা কি মসজিদের ভেতরে, নাকি প্রাঙ্গণে ঘটেছিল?

সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ঘটনাটি একটি মসজিদের ভেতরে ঘটেছিল। তবে মসজিদটির নাম বা সুনির্দিষ্ট অবস্থান প্রকাশ করা হয়নি। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ‘মসজিদ প্রাঙ্গণে ঘটনা’ দাবির সঙ্গে সরকারি বিবৃতির ভাষার পার্থক্য রয়েছে। 


২. তাঁরা কি শুধু চুমু খেয়েছিলেন, নাকি অভিযোগ ছিল ব্যভিচারের?

শুধু চুমু খাওয়ার কারণে তাঁদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল, এমন তথ্যের পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘটনাটিকে মসজিদের ভেতরে ‘অনৈতিক কর্মকাণ্ড’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশি কনস্যুলেটের শ্রম কল্যাণ উইংয়ের পাঠানো তথ্যের বরাতে সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যভিচারের অভিযোগ ছিল।

তবে সৌদি কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত বিবৃতিতে ঠিক কী ধরনের কর্মকাণ্ড ঘটেছিল, তার বিস্তারিত বিবরণ নেই। ফলে চুমু, শারীরিক সম্পর্ক কিংবা অন্য কোনো নির্দিষ্ট কর্মকাণ্ড সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে দাবি করা ঠিক হবে না। 


৩. সৌদি কর্তৃপক্ষ কীভাবে ঘটনাটি জানতে পেরেছিল?

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী ওই দুজনকে আটক করে। তদন্তের পর তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় এবং মামলাটি আদালতে পাঠানো হয়। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে রায় বহাল থাকে এবং তা কার্যকরের জন্য রাজকীয় আদেশ জারি করা হয়।

তবে তাঁদের সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়েছিল, নাকি নিরাপত্তাকর্মীদের সরাসরি নজরে পড়েছিলেন, এ বিষয়ে সরকারি বিবৃতিতে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই। 


৪. কোনো পাকিস্তানি নাগরিক কি ঘটনাটি ভিডিও করেছিলেন?

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৃতীয় কোনো দেশের নাগরিকের ভিডিও ধারণ করে কর্তৃপক্ষকে জানানোর দাবি প্রচারিত হলেও, নির্ভরযোগ্য সংবাদ প্রতিবেদন ও প্রকাশিত সরকারি বিবৃতিতে এর সমর্থনে তথ্য পাওয়া যায়নি।

সুতরাং, কোনো পাকিস্তানি নাগরিক ভিডিও ধারণ করেছিলেন বা সেই ভিডিওর ভিত্তিতেই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, এমন দাবিকে আপাতত অযাচাইকৃত তথ্য হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।


৫. সৌদি আরবে কি শুধু বিদেশিদেরই মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়?

না। সৌদি আরবে দেশটির নাগরিকদের পাশাপাশি বিদেশি নাগরিকদেরও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। তবে গত এক দশকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে সৌদি নাগরিকেরাই ৫৫ থেকে ৬০ শতাংশ-এমন দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান নিশ্চিত করা যায়নি।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত সৌদি আরবে নথিভুক্ত ১ হাজার ৮১৬টি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সংস্থাটির হিসাবে, ওই সময়ে মাদকসংক্রান্ত অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের প্রায় ৭৫ শতাংশই ছিলেন বিদেশি নাগরিক। 


বাংলাদেশের কাছে কী তথ্য চেয়েছে সৌদি আরব?

ঘটনাটি নিয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ১৮ অক্টোবর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূতের কাছে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চেয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটকে আগে থেকে এ বিষয়ে জানানো হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। 


শেষ কথা

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনাটি শুধু চুমু খাওয়ার কারণে ঘটেছে, এমন দাবি প্রমাণিত নয়। সৌদি কর্তৃপক্ষ তাঁদের বিরুদ্ধে মসজিদের ভেতরে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে আদালতের রায়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কথা জানিয়েছে। বাংলাদেশের কনস্যুলেটের মাধ্যমে পাওয়া তথ্যের বরাতে অভিযোগটি ব্যভিচার হিসেবে উল্লেখ করা হলেও, ঘটনার পূর্ণ বিবরণ এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।

তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া দাবি ও অনুমানের পরিবর্তে সৌদি কর্তৃপক্ষের পূর্ণাঙ্গ নথি এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের ভিত্তিতেই ঘটনার চূড়ান্ত মূল্যায়ন করা উচিত।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত