বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

জাতীয়

কোস্ট গার্ড–নৌবাহিনীর যৌথ তৎপরতা

সুন্দরবনে দস্যু দমনে বড় সাফল্য, দেড় বছরে ৪০ জন আটক

সুন্দরবনে দস্যু দমনে বড় সাফল্য, দেড় বছরে ৪০ জন আটক
কোস্ট গার্ডের অভিযানে দেড় বছরে ৪০ বনদস্যুকে আটক করা হয়। ছবি: সংগৃহীত

সুন্দরবনের দস্যুতা দমনে কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে পরিচালিত বিশেষ অভিযান ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ জোরদার করা হয়েছে। দস্যুতা সম্পূর্ণ নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা গেছে, গত দেড় বছরে করিম শরীফ, নানা ভাই, ছোট সুমন, আলিফ, দুলাভাই ও আসাবুর বাহিনীসহ বিভিন্ন দস্যু দলের মোট ৪০ জন সক্রিয় সদস্যকে আটক করা হয়েছে।

অভিযানকালে ৪৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, ১৯৬টি গুলি, ২৯৯টি ফাঁকা গুলি এবং দুটি হাতবোমা উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি দস্যুদের একাধিক আস্তানা শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয়েছে।

এ সময়ে সুন্দরবনে জিম্মি থাকা ৩৭ জন জেলে, ২ জন পর্যটক এবং ১ জন রিসোর্ট মালিকসহ মোট ৪০ জনকে উদ্ধার করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে নৌবাহিনী, পুলিশ ও র্যাবের সমন্বয়ে যৌথ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। একই সঙ্গে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি ও নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, নদী ও খালপথে নজরদারি বাড়ানোর ফলে দস্যুতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সমন্বিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Image

#কোস্টগার্ড #সুন্দরবন #দস্যুদমন

চেকপোস্ট

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬


সুন্দরবনে দস্যু দমনে বড় সাফল্য, দেড় বছরে ৪০ জন আটক

প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬

featured Image

সুন্দরবনের দস্যুতা দমনে কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে পরিচালিত বিশেষ অভিযান ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ জোরদার করা হয়েছে। দস্যুতা সম্পূর্ণ নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা গেছে, গত দেড় বছরে করিম শরীফ, নানা ভাই, ছোট সুমন, আলিফ, দুলাভাই ও আসাবুর বাহিনীসহ বিভিন্ন দস্যু দলের মোট ৪০ জন সক্রিয় সদস্যকে আটক করা হয়েছে।

অভিযানকালে ৪৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, ১৯৬টি গুলি, ২৯৯টি ফাঁকা গুলি এবং দুটি হাতবোমা উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি দস্যুদের একাধিক আস্তানা শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয়েছে।

এ সময়ে সুন্দরবনে জিম্মি থাকা ৩৭ জন জেলে, ২ জন পর্যটক এবং ১ জন রিসোর্ট মালিকসহ মোট ৪০ জনকে উদ্ধার করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে নৌবাহিনী, পুলিশ ও র্যাবের সমন্বয়ে যৌথ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। একই সঙ্গে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি ও নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, নদী ও খালপথে নজরদারি বাড়ানোর ফলে দস্যুতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সমন্বিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত