সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার এক মাদ্রাসা ছাত্রী অপহরণ মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৯। একই অভিযানে ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯, সিপিসি-৩ সুনামগঞ্জের একটি আভিযানিক দল বুধবার (১০ জুন) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে জেলার সদর উপজেলার ওয়েজখালি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে জগন্নাথপুর থানার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয় এবং ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামি রেদুয়ান আহমদ (২৫)। তিনি ছাতক উপজেলার ঝিগলী গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম জগন্নাথপুর উপজেলার রসুলপুর এলাকার রসুলগঞ্জ দাখিল মাদ্রাসার ছাত্রী। আসামি দীর্ঘদিন ধরে তাকে উত্ত্যক্ত ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। পরে গত ১৪/০৫/২০২৬ তারিখে দাখিল পরীক্ষার শেষ দিনে পরীক্ষা শেষে মাদ্রাসার সামনে থেকে তাকে সিএনজি যোগে অপহরণ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।
ঘটনার পর ভিকটিমের স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হন। পরে ভিকটিমের মা জগন্নাথপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর র্যাব-৯ ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে আসামিকে শনাক্ত ও গ্রেফতার করে।
পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত আসামি ও উদ্ধারকৃত ভিকটিমকে জগন্নাথপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার এক মাদ্রাসা ছাত্রী অপহরণ মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৯। একই অভিযানে ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯, সিপিসি-৩ সুনামগঞ্জের একটি আভিযানিক দল বুধবার (১০ জুন) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে জেলার সদর উপজেলার ওয়েজখালি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে জগন্নাথপুর থানার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয় এবং ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামি রেদুয়ান আহমদ (২৫)। তিনি ছাতক উপজেলার ঝিগলী গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম জগন্নাথপুর উপজেলার রসুলপুর এলাকার রসুলগঞ্জ দাখিল মাদ্রাসার ছাত্রী। আসামি দীর্ঘদিন ধরে তাকে উত্ত্যক্ত ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। পরে গত ১৪/০৫/২০২৬ তারিখে দাখিল পরীক্ষার শেষ দিনে পরীক্ষা শেষে মাদ্রাসার সামনে থেকে তাকে সিএনজি যোগে অপহরণ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।
ঘটনার পর ভিকটিমের স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হন। পরে ভিকটিমের মা জগন্নাথপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর র্যাব-৯ ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে আসামিকে শনাক্ত ও গ্রেফতার করে।
পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত আসামি ও উদ্ধারকৃত ভিকটিমকে জগন্নাথপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
