সুনামগঞ্জে কিশোরী ধর্ষণ মামলার একমাত্র আসামি আমিরুল হক (২৪)-কে ঘটনার ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৯, সিপিসি-৩ (সুনামগঞ্জ)।
শুক্রবার (১ আগস্ট) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ১৫ মিনিটে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার রঙ্গারচর ইউনিয়নের আদার বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তার আমিরুল হক সদর উপজেলার বিরামপুর এলাকার রমজান আলীর ছেলে।
র্যাব-৯ জানায়, ভুক্তভোগী কিশোরী ও অভিযুক্ত একই এলাকার বাসিন্দা। অভিযোগ অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে আমিরুল ওই কিশোরীকে উত্ত্যক্ত ও ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিল। গত ২৪ জুলাই রাতে কিশোরী ঘরের বাইরে গেলে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া আমিরুল তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে বিষয়টি পরিবারকে জানালে ভুক্তভোগীর ভাই বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর র্যাব-৯ গোয়েন্দা নজরদারি ও ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মামলার একমাত্র আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-৯ জানায়, অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের অভিযান ও গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
সুনামগঞ্জে কিশোরী ধর্ষণ মামলার একমাত্র আসামি আমিরুল হক (২৪)-কে ঘটনার ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৯, সিপিসি-৩ (সুনামগঞ্জ)।
শুক্রবার (১ আগস্ট) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ১৫ মিনিটে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার রঙ্গারচর ইউনিয়নের আদার বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তার আমিরুল হক সদর উপজেলার বিরামপুর এলাকার রমজান আলীর ছেলে।
র্যাব-৯ জানায়, ভুক্তভোগী কিশোরী ও অভিযুক্ত একই এলাকার বাসিন্দা। অভিযোগ অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে আমিরুল ওই কিশোরীকে উত্ত্যক্ত ও ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিল। গত ২৪ জুলাই রাতে কিশোরী ঘরের বাইরে গেলে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া আমিরুল তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে বিষয়টি পরিবারকে জানালে ভুক্তভোগীর ভাই বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর র্যাব-৯ গোয়েন্দা নজরদারি ও ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মামলার একমাত্র আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-৯ জানায়, অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের অভিযান ও গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
