হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও আলাপুর সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা গাজিউর রহমানের বিরুদ্ধে সরকারি সহায়তায় পাওয়া রিকশা বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক মাস আগে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে অসচ্ছল মানুষের জীবিকায়নের লক্ষ্যে রিকশা বিতরণ করা হয়। হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জি কে গউছের উদ্যোগে দেওয়া এসব রিকশায় স্পষ্টভাবে “বিক্রয় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ” লেখা রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, গাজিউর রহমান সরকারি সহায়তায় পাওয়া রিকশাটি ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে আলাপুর গ্রামের কালাম মিয়ার কাছে বিক্রির জন্য বায়নাপত্র করেছেন। স্থানীয়দের দাবি, প্রথমে বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরে তিনি বায়নাপত্র করার কথা স্বীকার করেন।
আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা ও স্থানীয় কয়েকজন রিকশাচালকের অভিযোগ, এর আগেও গাজিউর রহমান সরকারি সহায়তায় পাওয়া দুটি রিকশা বিক্রি করেছেন। বর্তমানে সর্বশেষ পাওয়া রিকশাটিও বিক্রির চেষ্টা করছেন বলে তাদের দাবি।
এ বিষয়ে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাকিফ ইশমাম চৌধুরী বলেন, “বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
স্থানীয়রা সরকারি সহায়তার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও আলাপুর সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা গাজিউর রহমানের বিরুদ্ধে সরকারি সহায়তায় পাওয়া রিকশা বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক মাস আগে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে অসচ্ছল মানুষের জীবিকায়নের লক্ষ্যে রিকশা বিতরণ করা হয়। হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জি কে গউছের উদ্যোগে দেওয়া এসব রিকশায় স্পষ্টভাবে “বিক্রয় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ” লেখা রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, গাজিউর রহমান সরকারি সহায়তায় পাওয়া রিকশাটি ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে আলাপুর গ্রামের কালাম মিয়ার কাছে বিক্রির জন্য বায়নাপত্র করেছেন। স্থানীয়দের দাবি, প্রথমে বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরে তিনি বায়নাপত্র করার কথা স্বীকার করেন।
আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা ও স্থানীয় কয়েকজন রিকশাচালকের অভিযোগ, এর আগেও গাজিউর রহমান সরকারি সহায়তায় পাওয়া দুটি রিকশা বিক্রি করেছেন। বর্তমানে সর্বশেষ পাওয়া রিকশাটিও বিক্রির চেষ্টা করছেন বলে তাদের দাবি।
এ বিষয়ে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাকিফ ইশমাম চৌধুরী বলেন, “বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
স্থানীয়রা সরকারি সহায়তার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
