কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার ৬ নম্বর সন্তোষপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোছা. খাদিজা বেগমকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও এবং বিভিন্ন অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও ইউপি সদস্যদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও অসদাচরণের অভিযোগ ছিল। সম্প্রতি এসব অভিযোগ নতুন করে সামনে আসার পর বিষয়টি প্রশাসনের নজরে যায় এবং তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়।
অভিযোগপত্রে ইউনিয়ন পরিষদের একাধিক সদস্য উল্লেখ করেন যে, এসব ঘটনায় ইউনিয়ন পরিষদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং স্থানীয় জনমনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। পরে তারা লিখিতভাবে উপজেলা প্রশাসনের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানান।
এ বিষয়ে সন্তোষপুর ইউনিয়ন পরিষদ-এর পক্ষ থেকে দেওয়া তথ্য ও অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্তে যায়। পরবর্তীতে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, নাগেশ্বরী উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অভিযোগগুলোর বিষয়ে যাচাই-বাছাই ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। বিষয়টির বিস্তারিত তদন্ত শেষে পরবর্তী আইনগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযুক্ত খাদিজা বেগমের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার ৬ নম্বর সন্তোষপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোছা. খাদিজা বেগমকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও এবং বিভিন্ন অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও ইউপি সদস্যদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও অসদাচরণের অভিযোগ ছিল। সম্প্রতি এসব অভিযোগ নতুন করে সামনে আসার পর বিষয়টি প্রশাসনের নজরে যায় এবং তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়।
অভিযোগপত্রে ইউনিয়ন পরিষদের একাধিক সদস্য উল্লেখ করেন যে, এসব ঘটনায় ইউনিয়ন পরিষদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং স্থানীয় জনমনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। পরে তারা লিখিতভাবে উপজেলা প্রশাসনের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানান।
এ বিষয়ে সন্তোষপুর ইউনিয়ন পরিষদ-এর পক্ষ থেকে দেওয়া তথ্য ও অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্তে যায়। পরবর্তীতে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, নাগেশ্বরী উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অভিযোগগুলোর বিষয়ে যাচাই-বাছাই ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। বিষয়টির বিস্তারিত তদন্ত শেষে পরবর্তী আইনগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযুক্ত খাদিজা বেগমের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
