জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ড. শফিকুর রহমান।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ-এর অধিবেশনে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান-এর মন্তব্যের পরপরই দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানান তিনি।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে শফিকুর রহমান বলেন, তার পারিবারিক পরিচয় ও রাজনৈতিক আদর্শ নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, যা তিনি ‘গুরুতর অপরাধ’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, “আমার পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে এবং আমি কোন রাজনৈতিক দল করবো—এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার অধিকার কারও নেই। এটি আমার নাগরিক অধিকার।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ফজলুর রহমান ব্যক্তিগতভাবে তাকে লক্ষ্য করে মন্তব্য করেছেন এবং মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য হিসেবে তার পরিচয়কে চ্যালেঞ্জ করেছেন।
এ সময় তিনি স্পিকারের কাছে বক্তব্যের ‘অসংসদীয় অংশ’ সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) দেওয়ার দাবি জানান।
বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, সংসদে যুক্তিনির্ভর ও শালীন আলোচনা প্রয়োজন, ব্যক্তিগত আক্রমণ বা উত্তেজনাপূর্ণ বক্তব্য সংসদের পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
এদিকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ জানান, সংসদের কার্যপ্রণালি অনুযায়ী কোনো অসংসদীয় বক্তব্য থাকলে তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনাটি সংসদের ভেতরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে এবং এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ড. শফিকুর রহমান।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ-এর অধিবেশনে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান-এর মন্তব্যের পরপরই দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানান তিনি।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে শফিকুর রহমান বলেন, তার পারিবারিক পরিচয় ও রাজনৈতিক আদর্শ নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, যা তিনি ‘গুরুতর অপরাধ’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, “আমার পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে এবং আমি কোন রাজনৈতিক দল করবো—এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার অধিকার কারও নেই। এটি আমার নাগরিক অধিকার।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ফজলুর রহমান ব্যক্তিগতভাবে তাকে লক্ষ্য করে মন্তব্য করেছেন এবং মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য হিসেবে তার পরিচয়কে চ্যালেঞ্জ করেছেন।
এ সময় তিনি স্পিকারের কাছে বক্তব্যের ‘অসংসদীয় অংশ’ সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) দেওয়ার দাবি জানান।
বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, সংসদে যুক্তিনির্ভর ও শালীন আলোচনা প্রয়োজন, ব্যক্তিগত আক্রমণ বা উত্তেজনাপূর্ণ বক্তব্য সংসদের পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
এদিকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ জানান, সংসদের কার্যপ্রণালি অনুযায়ী কোনো অসংসদীয় বক্তব্য থাকলে তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনাটি সংসদের ভেতরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে এবং এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
