সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দল থেকে নিজের অবসর প্রসঙ্গে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরেছেন। তিনি জানিয়েছেন, দেশের জনগণের নিরাপত্তা, উন্নত জীবনমান, গণতন্ত্র ও আইনের শাসন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিশ্চিত করার পরই তিনি অবসর নেবেন।
সম্প্রতি কলকাতাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘এই সময়’কে দেওয়া লিখিত সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। সাক্ষাৎকারে তিনি গণভবন ত্যাগ, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং দলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়েও খোলামেলা মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার বিষয়ে তার ব্যক্তিগত অনুভূতি দীর্ঘদিন ধরেই রয়েছে এবং দলীয় নেতৃত্বে নতুন প্রজন্মকে সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে তিনি বহুবার মত দিয়েছেন। তার মতে, নেতৃত্ব কোনো ব্যক্তিগত উত্তরাধিকার নয়, বরং দলের কাউন্সিল ও কর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়।
শেখ হাসিনা আরও দাবি করেন, বর্তমানে দেশের গণতান্ত্রিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক নয় এবং দলীয় কার্যক্রমে নানা বাধা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে জনগণের প্রতি দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
দলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব প্রসঙ্গে তিনি জানান, আওয়ামী লীগ একটি গণতান্ত্রিক দল এবং যোগ্যতা, ত্যাগ ও আদর্শের ভিত্তিতেই নেতৃত্ব নির্বাচন করা হবে। তরুণ নেতৃত্ব গঠনের ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।
তিনি বলেন, দলের অভিজ্ঞ প্রবীণ নেতাদের অবদান অস্বীকার করা যাবে না, আবার নতুন প্রজন্মকেও নেতৃত্বে আনতে হবে। ভবিষ্যতে নতুন কাউন্সিলের মাধ্যমে দল পুনর্গঠন ও সংগঠিত করার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানান তিনি।

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দল থেকে নিজের অবসর প্রসঙ্গে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরেছেন। তিনি জানিয়েছেন, দেশের জনগণের নিরাপত্তা, উন্নত জীবনমান, গণতন্ত্র ও আইনের শাসন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিশ্চিত করার পরই তিনি অবসর নেবেন।
সম্প্রতি কলকাতাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘এই সময়’কে দেওয়া লিখিত সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। সাক্ষাৎকারে তিনি গণভবন ত্যাগ, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং দলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়েও খোলামেলা মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার বিষয়ে তার ব্যক্তিগত অনুভূতি দীর্ঘদিন ধরেই রয়েছে এবং দলীয় নেতৃত্বে নতুন প্রজন্মকে সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে তিনি বহুবার মত দিয়েছেন। তার মতে, নেতৃত্ব কোনো ব্যক্তিগত উত্তরাধিকার নয়, বরং দলের কাউন্সিল ও কর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়।
শেখ হাসিনা আরও দাবি করেন, বর্তমানে দেশের গণতান্ত্রিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক নয় এবং দলীয় কার্যক্রমে নানা বাধা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে জনগণের প্রতি দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
দলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব প্রসঙ্গে তিনি জানান, আওয়ামী লীগ একটি গণতান্ত্রিক দল এবং যোগ্যতা, ত্যাগ ও আদর্শের ভিত্তিতেই নেতৃত্ব নির্বাচন করা হবে। তরুণ নেতৃত্ব গঠনের ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।
তিনি বলেন, দলের অভিজ্ঞ প্রবীণ নেতাদের অবদান অস্বীকার করা যাবে না, আবার নতুন প্রজন্মকেও নেতৃত্বে আনতে হবে। ভবিষ্যতে নতুন কাউন্সিলের মাধ্যমে দল পুনর্গঠন ও সংগঠিত করার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানান তিনি।
