নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নাইস বেগম নামের এক প্রবাসী গৃহবধূর মাথা ইট দিয়ে থেঁতলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী দেবরের বিরুদ্ধে।
বর্তমানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দুর্গাপুর গ্রামের জালাল হোসেন (৩৫) ও তার ভাই মুস্তাফিজুর রহমান (৩২) প্রতিবেশী নাইস বেগমের বাড়ির পাশের জমি দখলের চেষ্টা চালায়। এতে বাধা দিলে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে জালাল ইট দিয়ে নাইস বেগমের মাথায় আঘাত করেন। এতে তাঁর মাথা থেঁতলে যায়।
এ সময় তাঁকে বাঁচাতে এলে তাঁর ভাসুর সোহেলকেও মারধর করা হয়।
আহত নাইস বেগমের শ্বশুর বেলাল হোসেন জানান, হামলাকারীরা এলাকায় অত্যন্ত প্রভাবশালী এবং ইতিপূর্বে মফুজকে (নাইস বেগমের স্বামী) বিদেশে পাঠানোর নামে ২ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে।
ঘটনার পর নাইস বেগমকে প্রথমে ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং অবস্থার অবনতি হলে আজ ২৭ অক্টোবর রাজশাহী মেডিকেলে স্থানান্তর করা হয়। ভুক্তভোগী নাইস বেগম এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত জালালের স্ত্রী বকুল বেগম দাবি করেন, নাইস বেগম প্রথমে তাঁর শাশুড়ি ও স্বামীকে মারধর করায় তাঁর স্বামী পাল্টা আঘাত করেছেন, এতে আমাদের কোনো দোষ নেই।
এ ঘটনায় ২৭ অক্টোবর নাইস বেগমের মা মোসা: হেলেনা বেগম ধামইরহাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মিন্টু রহমান জানান, ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং মামলা রেকর্ডের প্রক্রিয়া চলছে।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নাইস বেগম নামের এক প্রবাসী গৃহবধূর মাথা ইট দিয়ে থেঁতলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী দেবরের বিরুদ্ধে।
বর্তমানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দুর্গাপুর গ্রামের জালাল হোসেন (৩৫) ও তার ভাই মুস্তাফিজুর রহমান (৩২) প্রতিবেশী নাইস বেগমের বাড়ির পাশের জমি দখলের চেষ্টা চালায়। এতে বাধা দিলে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে জালাল ইট দিয়ে নাইস বেগমের মাথায় আঘাত করেন। এতে তাঁর মাথা থেঁতলে যায়।
এ সময় তাঁকে বাঁচাতে এলে তাঁর ভাসুর সোহেলকেও মারধর করা হয়।
আহত নাইস বেগমের শ্বশুর বেলাল হোসেন জানান, হামলাকারীরা এলাকায় অত্যন্ত প্রভাবশালী এবং ইতিপূর্বে মফুজকে (নাইস বেগমের স্বামী) বিদেশে পাঠানোর নামে ২ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে।
ঘটনার পর নাইস বেগমকে প্রথমে ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং অবস্থার অবনতি হলে আজ ২৭ অক্টোবর রাজশাহী মেডিকেলে স্থানান্তর করা হয়। ভুক্তভোগী নাইস বেগম এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত জালালের স্ত্রী বকুল বেগম দাবি করেন, নাইস বেগম প্রথমে তাঁর শাশুড়ি ও স্বামীকে মারধর করায় তাঁর স্বামী পাল্টা আঘাত করেছেন, এতে আমাদের কোনো দোষ নেই।
এ ঘটনায় ২৭ অক্টোবর নাইস বেগমের মা মোসা: হেলেনা বেগম ধামইরহাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মিন্টু রহমান জানান, ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং মামলা রেকর্ডের প্রক্রিয়া চলছে।
