রোববার (২৮ জুন) সকাল ১১টায় শিবপুর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে শিবপুরবাসী, বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক, বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা দাবি করেন, বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক বিল্লাল হোসেনের আত্মহত্যার ঘটনায় প্রধান শিক্ষক নূর উদ্দিন মো. আলমগীরকে আসামি করে দায়ের করা মামলা ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক। তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সততা, নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসা একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমন মামলা শিক্ষা অঙ্গনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
বক্তারা আরও বলেন, শিক্ষক জীবনের শেষ পর্যায়ে একজন সম্মানিত শিক্ষকের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা বন্ধ করতে হবে এবং দ্রুত তাকে এ মামলা থেকে অব্যাহতি দিতে হবে। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও তারা সতর্ক করেন।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা প্রধান শিক্ষকের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী চলা কর্মসূচিতে বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক, প্রাক্তন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা দাবি করেন, বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক বিল্লাল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ও শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন।
উল্লেখ্য, আত্মহত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার বিষয়ে তদন্ত বা বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই এ ক্ষেত্রে নির্ধারক হবে।

রোববার, ২৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
রোববার (২৮ জুন) সকাল ১১টায় শিবপুর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে শিবপুরবাসী, বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক, বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা দাবি করেন, বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক বিল্লাল হোসেনের আত্মহত্যার ঘটনায় প্রধান শিক্ষক নূর উদ্দিন মো. আলমগীরকে আসামি করে দায়ের করা মামলা ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক। তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সততা, নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসা একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমন মামলা শিক্ষা অঙ্গনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
বক্তারা আরও বলেন, শিক্ষক জীবনের শেষ পর্যায়ে একজন সম্মানিত শিক্ষকের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা বন্ধ করতে হবে এবং দ্রুত তাকে এ মামলা থেকে অব্যাহতি দিতে হবে। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও তারা সতর্ক করেন।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা প্রধান শিক্ষকের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী চলা কর্মসূচিতে বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক, প্রাক্তন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা দাবি করেন, বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক বিল্লাল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ও শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন।
উল্লেখ্য, আত্মহত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার বিষয়ে তদন্ত বা বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই এ ক্ষেত্রে নির্ধারক হবে।
