হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার ৫ নম্বর করাব ইউনিয়ন পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের পরিবার পরিদর্শিকা সুচিত্রা রানী দাশের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে দুই সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে কমিটি গঠনের পরও এখন পর্যন্ত তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয় একাধিক গণমাধ্যমে অভিযোগসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের পর পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ বিষয়টি আমলে নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে।
সূত্র জানায়, হবিগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত এডিসিসি ডা. আকলিমাকে কমিটির প্রধান এবং লাখাই উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা গৌতম চন্দ্র রায়কে সদস্য করা হয়েছে। জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক এ কে এম নাসির ভূঁইয়া জানান, গত সপ্তাহে তদন্ত কমিটিকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তদন্ত কমিটির প্রধান ডা. আকলিমা বলেন, এখনো তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়নি। অপর সদস্য গৌতম চন্দ্র রায় জানান, কমিটির প্রধান তদন্ত শুরু না করলে এককভাবে তদন্ত পরিচালনা করা তার পক্ষে সম্ভব নয়।
অভিযোগের বিষয়ে সুচিত্রা রানী দাশ বলেন, তিনি কোনো ধরনের দুর্নীতি বা অনিয়ম করে থাকলে তদন্তে তা প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে তার কোনো আপত্তি নেই। তিনি দাবি করেন, তার সেবা কার্যক্রমে প্রতিদিন অনেক মানুষ আসেন, যা তার দায়িত্ব পালনেরই প্রমাণ।
এর আগে সুচিত্রা রানী দাশের বিরুদ্ধে সরকারি নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে বিভিন্ন সেবার বিপরীতে রোগীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়, বিনামূল্যে বিতরণের সরকারি ওষুধ বিক্রির অভিযোগ এবং রোগীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগে তাকে একাধিকবার কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় ভুক্তভোগীদের দাবি, অভিযোগগুলোর দ্রুত, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার ৫ নম্বর করাব ইউনিয়ন পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের পরিবার পরিদর্শিকা সুচিত্রা রানী দাশের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে দুই সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে কমিটি গঠনের পরও এখন পর্যন্ত তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয় একাধিক গণমাধ্যমে অভিযোগসংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের পর পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ বিষয়টি আমলে নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে।
সূত্র জানায়, হবিগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত এডিসিসি ডা. আকলিমাকে কমিটির প্রধান এবং লাখাই উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা গৌতম চন্দ্র রায়কে সদস্য করা হয়েছে। জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক এ কে এম নাসির ভূঁইয়া জানান, গত সপ্তাহে তদন্ত কমিটিকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তদন্ত কমিটির প্রধান ডা. আকলিমা বলেন, এখনো তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়নি। অপর সদস্য গৌতম চন্দ্র রায় জানান, কমিটির প্রধান তদন্ত শুরু না করলে এককভাবে তদন্ত পরিচালনা করা তার পক্ষে সম্ভব নয়।
অভিযোগের বিষয়ে সুচিত্রা রানী দাশ বলেন, তিনি কোনো ধরনের দুর্নীতি বা অনিয়ম করে থাকলে তদন্তে তা প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে তার কোনো আপত্তি নেই। তিনি দাবি করেন, তার সেবা কার্যক্রমে প্রতিদিন অনেক মানুষ আসেন, যা তার দায়িত্ব পালনেরই প্রমাণ।
এর আগে সুচিত্রা রানী দাশের বিরুদ্ধে সরকারি নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে বিভিন্ন সেবার বিপরীতে রোগীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়, বিনামূল্যে বিতরণের সরকারি ওষুধ বিক্রির অভিযোগ এবং রোগীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগে তাকে একাধিকবার কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় ভুক্তভোগীদের দাবি, অভিযোগগুলোর দ্রুত, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
