হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচিতে দায়িত্ব অবহেলা ও অনিয়মের অভিযোগে এক স্বাস্থ্য সহকারীকে শোকজ করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।
জেলা সিভিল সার্জন ডা. রত্নদ্বীপ স্বাক্ষরিত নোটিশে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য সহকারী অলিউডর রহমানের বিরুদ্ধে দায়িত্বে গাফিলতি ও অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়।
শোকজ নোটিশ সূত্রে জানা যায়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা World Health Organization-এর প্রতিনিধি ডা. খন্দকার ওয়াকিল আহমেদ ৪ মে ২০২৬ তারিখে বামৈ ইউনিয়নের একটি ইপিআই কেন্দ্র পরিদর্শনকালে একাধিক অনিয়মের প্রমাণ পান। পরে তিনি জেলা সিভিল সার্জনের কাছে অভিযোগ দাখিল করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কাজী শামসুল আরেফীন জানান, সরেজমিনে দেখা গেছে ওই কেন্দ্রের প্রায় ১৪৫ জন শিশু হাম-রুবেলা টিকা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই একাধিক অনিয়মের অভিযোগ ছিল এবং বারবার সতর্ক করার পরও তিনি দায়িত্বে অবহেলা করেছেন।
এ ঘটনায় জেলা সিভিল সার্জন জানিয়েছেন, অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ইতোমধ্যে তার বেতন-ভাতা বন্ধ রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে অভিযুক্ত স্বাস্থ্য সহকারী দাবি করেছেন, অভিযোগ আংশিক সত্য এবং তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।
এ ঘটনায় এলাকায় টিকাদান থেকে বঞ্চিত শিশুদের অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত দায়িত্বশীল ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচিতে দায়িত্ব অবহেলা ও অনিয়মের অভিযোগে এক স্বাস্থ্য সহকারীকে শোকজ করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।
জেলা সিভিল সার্জন ডা. রত্নদ্বীপ স্বাক্ষরিত নোটিশে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য সহকারী অলিউডর রহমানের বিরুদ্ধে দায়িত্বে গাফিলতি ও অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়।
শোকজ নোটিশ সূত্রে জানা যায়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা World Health Organization-এর প্রতিনিধি ডা. খন্দকার ওয়াকিল আহমেদ ৪ মে ২০২৬ তারিখে বামৈ ইউনিয়নের একটি ইপিআই কেন্দ্র পরিদর্শনকালে একাধিক অনিয়মের প্রমাণ পান। পরে তিনি জেলা সিভিল সার্জনের কাছে অভিযোগ দাখিল করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কাজী শামসুল আরেফীন জানান, সরেজমিনে দেখা গেছে ওই কেন্দ্রের প্রায় ১৪৫ জন শিশু হাম-রুবেলা টিকা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই একাধিক অনিয়মের অভিযোগ ছিল এবং বারবার সতর্ক করার পরও তিনি দায়িত্বে অবহেলা করেছেন।
এ ঘটনায় জেলা সিভিল সার্জন জানিয়েছেন, অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ইতোমধ্যে তার বেতন-ভাতা বন্ধ রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে অভিযুক্ত স্বাস্থ্য সহকারী দাবি করেছেন, অভিযোগ আংশিক সত্য এবং তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।
এ ঘটনায় এলাকায় টিকাদান থেকে বঞ্চিত শিশুদের অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত দায়িত্বশীল ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
