বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষতির দাবি

রামপালে হিন্দু পরিবারের মৎস্যঘের দখল ও মাছ লুটের অভিযোগ

রামপালে হিন্দু পরিবারের মৎস্যঘের দখল ও মাছ লুটের অভিযোগ
ছবি : চেকপোস্ট

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় একটি হিন্দু পরিবারের মৎস্যঘের দখল করে মাছ ধরার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং রামপাল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী।

অভিযোগকারী উত্তম ঘরামী, উপজেলার হুড়কা গ্রামের মৃত গুরুদাশ ঘরামীর ছেলে। তিনি গত ১৪ জুলাই লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, আদালতের নিলামের মাধ্যমে বৈধভাবে ৫ দশমিক ৩০ একর জমি ক্রয় করে দীর্ঘদিন ধরে সেখানে শান্তিপূর্ণভাবে মৎস্য চাষ করে আসছেন।

অভিযোগে বলা হয়, গত ২৫ মে গভীর রাতে কয়েকজন ব্যক্তি তার মৎস্যঘেরে প্রবেশ করে দখলের চেষ্টা চালায়। পরে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধির নজরে আনা হলে স্থানীয়ভাবে একটি সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রতিপক্ষ ঘেরের পক্ষে কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি বলে অভিযোগকারীর দাবি।

উত্তম ঘরামীর অভিযোগ, সালিশের পরও অভিযুক্তরা পুনরায় ঘেরে প্রবেশ করে মাছ ধরা শুরু করেন। এতে তার প্রায় এক লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। এছাড়া বাধা দিলে তাকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে অভিযুক্ত ইকরাম ফারাজি, শাহাজালাল ও রবিউল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, তারা বৈধ মালিকের কাছ থেকে জমি লিজ নিয়ে মৎস্যঘের পরিচালনা করছেন এবং কাউকে কোনো ধরনের হুমকি বা ভয়ভীতি প্রদর্শন করেননি।

এ বিষয়ে রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ রাজিব আল রশিদ বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে, ভুক্তভোগী পরিবার দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

#রামপাল_সংবাদ #বাগেরহাট_খবর #মৎস্যঘের

চেকপোস্ট

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬


রামপালে হিন্দু পরিবারের মৎস্যঘের দখল ও মাছ লুটের অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬

featured Image

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় একটি হিন্দু পরিবারের মৎস্যঘের দখল করে মাছ ধরার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং রামপাল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী।

অভিযোগকারী উত্তম ঘরামী, উপজেলার হুড়কা গ্রামের মৃত গুরুদাশ ঘরামীর ছেলে। তিনি গত ১৪ জুলাই লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, আদালতের নিলামের মাধ্যমে বৈধভাবে ৫ দশমিক ৩০ একর জমি ক্রয় করে দীর্ঘদিন ধরে সেখানে শান্তিপূর্ণভাবে মৎস্য চাষ করে আসছেন।

অভিযোগে বলা হয়, গত ২৫ মে গভীর রাতে কয়েকজন ব্যক্তি তার মৎস্যঘেরে প্রবেশ করে দখলের চেষ্টা চালায়। পরে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধির নজরে আনা হলে স্থানীয়ভাবে একটি সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রতিপক্ষ ঘেরের পক্ষে কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি বলে অভিযোগকারীর দাবি।

উত্তম ঘরামীর অভিযোগ, সালিশের পরও অভিযুক্তরা পুনরায় ঘেরে প্রবেশ করে মাছ ধরা শুরু করেন। এতে তার প্রায় এক লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। এছাড়া বাধা দিলে তাকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে অভিযুক্ত ইকরাম ফারাজি, শাহাজালাল ও রবিউল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, তারা বৈধ মালিকের কাছ থেকে জমি লিজ নিয়ে মৎস্যঘের পরিচালনা করছেন এবং কাউকে কোনো ধরনের হুমকি বা ভয়ভীতি প্রদর্শন করেননি।

এ বিষয়ে রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ রাজিব আল রশিদ বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে, ভুক্তভোগী পরিবার দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত