জামালপুর পৌরসভার আলোচিত মেয়র পদপ্রার্থী এম. শুভ পাঠান-এর প্রচারমূলক ব্যানার ও ফেস্টুন ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে টানানো ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা ও ভাঙচুর করা হয়।
স্থানীয় সমর্থকদের দাবি, রাতের আঁধারে একদল দুর্বৃত্ত পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটায়। সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং নেতাকর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
এম. শুভ পাঠানের সমর্থকদের অভিযোগ, তাঁর জনপ্রিয়তা ও ক্রমবর্ধমান গণসমর্থনে ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিপক্ষের কিছু ব্যক্তি পরিকল্পিতভাবে এই ভাঙচুর চালিয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় এম. শুভ পাঠান বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে কিছু অসাধু ব্যক্তি তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে এ কাজ করেছে। তারা আমার ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছে। আমি সর্বোচ্চ ধৈর্য ধারণ করে এর বিচার পৌরসভার জনগণের কাছে দিয়ে গেলাম।
ঘটনার নিন্দা জানিয়ে সমর্থকরা বলেন, গণতান্ত্রিক পরিবেশে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রচারসামগ্রী ভাঙচুর কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের শনাক্ত এবং আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরাও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করা সম্ভব হবে।

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬
জামালপুর পৌরসভার আলোচিত মেয়র পদপ্রার্থী এম. শুভ পাঠান-এর প্রচারমূলক ব্যানার ও ফেস্টুন ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে টানানো ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা ও ভাঙচুর করা হয়।
স্থানীয় সমর্থকদের দাবি, রাতের আঁধারে একদল দুর্বৃত্ত পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটায়। সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং নেতাকর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
এম. শুভ পাঠানের সমর্থকদের অভিযোগ, তাঁর জনপ্রিয়তা ও ক্রমবর্ধমান গণসমর্থনে ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিপক্ষের কিছু ব্যক্তি পরিকল্পিতভাবে এই ভাঙচুর চালিয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় এম. শুভ পাঠান বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে কিছু অসাধু ব্যক্তি তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে এ কাজ করেছে। তারা আমার ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছে। আমি সর্বোচ্চ ধৈর্য ধারণ করে এর বিচার পৌরসভার জনগণের কাছে দিয়ে গেলাম।
ঘটনার নিন্দা জানিয়ে সমর্থকরা বলেন, গণতান্ত্রিক পরিবেশে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রচারসামগ্রী ভাঙচুর কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের শনাক্ত এবং আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরাও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করা সম্ভব হবে।
