টানা প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে ২০১৭ সালের ১৩ জুন ভয়াবহ পাহাড় ধসে রাঙামাটি শহর ও আশপাশের এলাকায় ঘটে যায় এক মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি। সেই ঘটনায় দুই সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ১২০ জনের প্রাণহানি ঘটে।
ঘটনার দিন ভোররাতে রাঙামাটি শহরের মানিকছড়ি, ভেদভেদী, রাঙাপানি এবং জেলার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে। মুহূর্তেই মাটিচাপা পড়ে অসংখ্য ঘরবাড়ি, নিঃস্ব হয়ে পড়ে বহু পরিবার।
উদ্ধার অভিযানে অংশ নিতে গিয়ে প্রাণ হারান সেনাসদস্যরা। ঘটনার পর কয়েকদিন দেশের অন্যান্য অংশের সঙ্গে রাঙামাটির সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল, ফলে উদ্ধার কার্যক্রমও ছিল অত্যন্ত কঠিন।
দীর্ঘ নয় বছর পার হলেও সেই ভয়াবহ দিনের স্মৃতি এখনও রাঙামাটিবাসীর মনে তাজা। প্রতি বছর ১৩ জুন এলে আবারও ফিরে আসে শোক ও আতঙ্ক।
ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে বসবাস বন্ধে প্রশাসন বিভিন্ন সময় সতর্কতা জারি করলেও বাস্তবে এখনো অনেক পরিবার নিরাপদ স্থানে যেতে পারেনি। আর্থিক সংকট ও পুনর্বাসনের অভাবে তারা বাধ্য হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাতেই বসবাস করছে।
বর্তমান বর্ষা মৌসুমেও টানা বৃষ্টির কারণে নতুন করে পাহাড় ধসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। জেলা প্রশাসন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মাইকিং ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালালেও স্থায়ী সমাধানের দাবি জোরালো হচ্ছে।
পরিবেশবিদ ও স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, অপরিকল্পিত পাহাড় কাটা ও বন উজাড় বন্ধ না হলে ভবিষ্যতেও বড় ধরনের দুর্যোগের ঝুঁকি থেকে যাবে। তাই দ্রুত স্থায়ী পুনর্বাসন ও নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
টানা প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে ২০১৭ সালের ১৩ জুন ভয়াবহ পাহাড় ধসে রাঙামাটি শহর ও আশপাশের এলাকায় ঘটে যায় এক মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি। সেই ঘটনায় দুই সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ১২০ জনের প্রাণহানি ঘটে।
ঘটনার দিন ভোররাতে রাঙামাটি শহরের মানিকছড়ি, ভেদভেদী, রাঙাপানি এবং জেলার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটে। মুহূর্তেই মাটিচাপা পড়ে অসংখ্য ঘরবাড়ি, নিঃস্ব হয়ে পড়ে বহু পরিবার।
উদ্ধার অভিযানে অংশ নিতে গিয়ে প্রাণ হারান সেনাসদস্যরা। ঘটনার পর কয়েকদিন দেশের অন্যান্য অংশের সঙ্গে রাঙামাটির সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল, ফলে উদ্ধার কার্যক্রমও ছিল অত্যন্ত কঠিন।
দীর্ঘ নয় বছর পার হলেও সেই ভয়াবহ দিনের স্মৃতি এখনও রাঙামাটিবাসীর মনে তাজা। প্রতি বছর ১৩ জুন এলে আবারও ফিরে আসে শোক ও আতঙ্ক।
ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে বসবাস বন্ধে প্রশাসন বিভিন্ন সময় সতর্কতা জারি করলেও বাস্তবে এখনো অনেক পরিবার নিরাপদ স্থানে যেতে পারেনি। আর্থিক সংকট ও পুনর্বাসনের অভাবে তারা বাধ্য হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাতেই বসবাস করছে।
বর্তমান বর্ষা মৌসুমেও টানা বৃষ্টির কারণে নতুন করে পাহাড় ধসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। জেলা প্রশাসন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মাইকিং ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালালেও স্থায়ী সমাধানের দাবি জোরালো হচ্ছে।
পরিবেশবিদ ও স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, অপরিকল্পিত পাহাড় কাটা ও বন উজাড় বন্ধ না হলে ভবিষ্যতেও বড় ধরনের দুর্যোগের ঝুঁকি থেকে যাবে। তাই দ্রুত স্থায়ী পুনর্বাসন ও নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।
