কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার তিলাই উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা সোবহান আলী (সোবান গিদাল) সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ মে নিজ বাড়ির সামনে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন সোবহান আলী। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেল আনুমানিক ৩টা ৩০ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
সোবহান আলী এলাকায় ‘সোবান গিদাল’ নামে পরিচিত ছিলেন। শান্ত স্বভাব, ভদ্র আচরণ এবং মানুষের সঙ্গে আন্তরিক সম্পর্কের কারণে তিনি এলাকাবাসীর কাছে একজন সম্মানিত ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। অনেকেই মরহুমের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান। স্থানীয়দের ভাষ্য, তাঁর মৃত্যুতে পরিবার একজন অভিভাবককে হারিয়েছে এবং এলাকাবাসী হারিয়েছে একজন সজ্জন মানুষকে।
মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এলাকাবাসী মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করেছেন। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক কামনা করেছেন।

বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার তিলাই উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা সোবহান আলী (সোবান গিদাল) সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ মে নিজ বাড়ির সামনে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন সোবহান আলী। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেল আনুমানিক ৩টা ৩০ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
সোবহান আলী এলাকায় ‘সোবান গিদাল’ নামে পরিচিত ছিলেন। শান্ত স্বভাব, ভদ্র আচরণ এবং মানুষের সঙ্গে আন্তরিক সম্পর্কের কারণে তিনি এলাকাবাসীর কাছে একজন সম্মানিত ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। অনেকেই মরহুমের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান। স্থানীয়দের ভাষ্য, তাঁর মৃত্যুতে পরিবার একজন অভিভাবককে হারিয়েছে এবং এলাকাবাসী হারিয়েছে একজন সজ্জন মানুষকে।
মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এলাকাবাসী মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করেছেন। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক কামনা করেছেন।
