যুক্তরাষ্ট্র-এ নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মধ্যে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত শিক্ষার্থী জামিল লিমন (২৭), তবে অন্য শিক্ষার্থী নাহিদা এস. বৃষ্টি এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা পুলিশ শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) সকালে লিমনের দেহাবশেষ উদ্ধার করে। মরদেহটি হাওয়ার্ড ফ্র্যাংকল্যান্ড ব্রিজ-এর নিচ থেকে পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে হিশাম আবুগারবিয়েহ নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি জামিল লিমনের রুমমেট বলে জানা গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, লিমনের দেহাবশেষ ব্রিজের নিচে রেখে আসার সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফ অফিস জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষ নিখোঁজ শিক্ষার্থী জামিল লিমনের বলেই শনাক্ত করা হয়েছে। ঘটনার পর লেক ফরেস্ট কমিউনিটি এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয় এবং বিশেষ বাহিনী (সোয়াট) অভিযান পরিচালনা করে।
অন্যদিকে, নিখোঁজ নাহিদা এস. বৃষ্টি জীবিত আছেন কিনা তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাকে খুঁজে পেতে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ও ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-এর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে ওয়াশিংটনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস। একইসঙ্গে মায়ামিতে বাংলাদেশ কনস্যুলেটও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে।
জামিল লিমন ও নাহিদা এস. বৃষ্টি দুজনেই ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের টাম্পায় অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার পিএইচডি শিক্ষার্থী ছিলেন। গত ১৬ এপ্রিল থেকে তারা নিখোঁজ ছিলেন বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
জামিল ভূগোল, পরিবেশ বিজ্ঞান ও নীতি বিষয়ে এবং বৃষ্টি কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পিএইচডি করছিলেন। তারা দুজনেই বাংলাদেশি এবং পরস্পরের বন্ধু ছিলেন বলে জানা গেছে।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র-এ নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মধ্যে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত শিক্ষার্থী জামিল লিমন (২৭), তবে অন্য শিক্ষার্থী নাহিদা এস. বৃষ্টি এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা পুলিশ শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) সকালে লিমনের দেহাবশেষ উদ্ধার করে। মরদেহটি হাওয়ার্ড ফ্র্যাংকল্যান্ড ব্রিজ-এর নিচ থেকে পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে হিশাম আবুগারবিয়েহ নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি জামিল লিমনের রুমমেট বলে জানা গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, লিমনের দেহাবশেষ ব্রিজের নিচে রেখে আসার সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফ অফিস জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষ নিখোঁজ শিক্ষার্থী জামিল লিমনের বলেই শনাক্ত করা হয়েছে। ঘটনার পর লেক ফরেস্ট কমিউনিটি এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয় এবং বিশেষ বাহিনী (সোয়াট) অভিযান পরিচালনা করে।
অন্যদিকে, নিখোঁজ নাহিদা এস. বৃষ্টি জীবিত আছেন কিনা তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাকে খুঁজে পেতে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ও ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-এর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে ওয়াশিংটনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস। একইসঙ্গে মায়ামিতে বাংলাদেশ কনস্যুলেটও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে।
জামিল লিমন ও নাহিদা এস. বৃষ্টি দুজনেই ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের টাম্পায় অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার পিএইচডি শিক্ষার্থী ছিলেন। গত ১৬ এপ্রিল থেকে তারা নিখোঁজ ছিলেন বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
জামিল ভূগোল, পরিবেশ বিজ্ঞান ও নীতি বিষয়ে এবং বৃষ্টি কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পিএইচডি করছিলেন। তারা দুজনেই বাংলাদেশি এবং পরস্পরের বন্ধু ছিলেন বলে জানা গেছে।
