বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

১০০০ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ

যমুনা-হুরাসাগরে অভিযান, ৫২টি চায়না দুয়ারী জাল পুড়িয়ে ধ্বংস

যমুনা-হুরাসাগরে অভিযান, ৫২টি চায়না দুয়ারী জাল পুড়িয়ে ধ্বংস
ছবি : চেকপোস্ট

পাবনার বেড়া উপজেলায় দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণে অবৈধ জালের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা মৎস্য দপ্তর ও নগরবাড়ি নৌ-পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত যমুনা ও হুরাসাগর নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে পরিচালিত এ অভিযানে ১০০০ মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল এবং ৫২টি চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করা হয়।

মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, যমুনা নদীর লেউলাপাড়া ও পেচাকোলা পয়েন্ট এবং হুরাসাগর নদীর পায়না এলাকায় যৌথভাবে ঝটিকা অভিযান চালানো হয়। অভিযান শেষে জব্দ করা অবৈধ জালগুলো বেড়া ডাকবাংলো ঘাটে এনে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে আগুনে পুড়িয়ে সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়।

বেড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মোকাররম হোসেনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন নগরবাড়ি নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম। এছাড়া নৌ-পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) মো. আয়নুল হক, নৌ-পুলিশের সদস্য, মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

জাল ধ্বংসের পর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মোকাররম হোসেন বলেন, চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জালের নির্বিচার ব্যবহারে দেশীয় প্রজাতির মাছের উৎপাদন আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাচ্ছে। এসব জালে ডিমওয়ালা মা মাছ ও ছোট পোনা মাছ নির্বিচারে ধরা পড়ে, যা মৎস্য সম্পদের জন্য বড় হুমকি।

তিনি জেলে ও স্থানীয় জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষায় অবৈধ জালের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ও মোবাইল কোর্ট ভবিষ্যতেও নিয়মিত পরিচালিত হবে।

#বেড়া #মৎস্যঅভিযান #কারেন্টজাল

চেকপোস্ট

বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬


যমুনা-হুরাসাগরে অভিযান, ৫২টি চায়না দুয়ারী জাল পুড়িয়ে ধ্বংস

প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬

featured Image

পাবনার বেড়া উপজেলায় দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণে অবৈধ জালের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা মৎস্য দপ্তর ও নগরবাড়ি নৌ-পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত যমুনা ও হুরাসাগর নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে পরিচালিত এ অভিযানে ১০০০ মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল এবং ৫২টি চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করা হয়।

মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, যমুনা নদীর লেউলাপাড়া ও পেচাকোলা পয়েন্ট এবং হুরাসাগর নদীর পায়না এলাকায় যৌথভাবে ঝটিকা অভিযান চালানো হয়। অভিযান শেষে জব্দ করা অবৈধ জালগুলো বেড়া ডাকবাংলো ঘাটে এনে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে আগুনে পুড়িয়ে সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়।

বেড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মোকাররম হোসেনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন নগরবাড়ি নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম। এছাড়া নৌ-পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) মো. আয়নুল হক, নৌ-পুলিশের সদস্য, মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

জাল ধ্বংসের পর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মোকাররম হোসেন বলেন, চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জালের নির্বিচার ব্যবহারে দেশীয় প্রজাতির মাছের উৎপাদন আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাচ্ছে। এসব জালে ডিমওয়ালা মা মাছ ও ছোট পোনা মাছ নির্বিচারে ধরা পড়ে, যা মৎস্য সম্পদের জন্য বড় হুমকি।

তিনি জেলে ও স্থানীয় জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষায় অবৈধ জালের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ও মোবাইল কোর্ট ভবিষ্যতেও নিয়মিত পরিচালিত হবে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত